ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ফরিদপুরে সাড়া মেলেনি রোগীদের

জেলা প্রতিনিধি | ফরিদপুর | প্রকাশিত: ০৭:১৩ পিএম, ৩০ মার্চ ২০২৩

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। তবে প্রথমদিনে প্রচারণার অভাবে রোগীদের তেমন সাড়া পাওয়া যায়নি। মাত্র দুজন রোগী উপস্থিত ছিলেন। বিকেল পর্যন্ত চারজন রোগীকে রেজিস্ট্রেশন করতে দেখা যায়।

বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

ফরিদপুরে সাড়া মেলেনি রোগীদের

বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এম এ নাহিদ আল রাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এম মোশাররফ হোসেন মুশা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. রওশন জাহান আক্তার আলো, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোশারেফ হোসাইন, ডা. শরিফুল ইসলাম শুভ, ডা. সাবরিনা হক, ডা. শবনম সুলতানা, সিনিয়র নার্স আলো রানী মিত্র, ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট জাকির হোসেন প্রমুখ।

ফরিদপুরে সাড়া মেলেনি রোগীদের

সরেজমিন দেখা যায়, রোগীদের উপস্থিতি একেবারেই কম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মাত্র দুজন রোগী টিকিট নিয়ে সেবা নিতে আসেন। তারা হলেন পৌরসভার রায়পুর এলাকার আকিদুল ইসলামের ছেলে আরাফাত ইসলাম (১১) ও গুনবহা গ্রামের জাহাঙ্গীর মোল্লার স্ত্রী জাহেদা বেগম(৪৫)। তারমধ্যে আরাফাত ডাক্তারের এক স্টাফের ছেলে।

সেবা নিতে আসা আরাফাত ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘ঠান্ডা, জ্বর ও কাশিতে ভুগছি। মাইকিং শুনে ডাক্তার দেখাতে এসেছি।’

ফরিদপুরে সাড়া মেলেনি রোগীদের

গুনবহা গ্রামের জাহাঙ্গীর মোল্লার স্ত্রী জাহেদা বেগম জাগো নিউজকে বলেন, ‘স্বামীকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে রিপোর্ট দেখাতে এসেছিলাম। এসে দেখি এ প্রোগ্রাম। আগে সকালে এ কার্যক্রম চালু ছিল। এখন বিকেলে এ কার্যক্রম চালু হলে খুবই ভালো হবে। এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। তবে সপ্তাহে দুদিনের পরিবর্তে প্রতিদিন এ সেবা চালু করলে ভালো হয়।’

বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এম এ নাহিদ আল রাকিব জাগো নিউজকে বলেন, যেহেতু এটা নতুন একটি বিষয়। তাই প্রচারণায় মাইকিং করা হয়েছে। তবে প্রথম দিনে রোগীদের উপস্থিতি কম হয়েছে। এ সেবা কার্যক্রম সম্পর্কে সবাই যখন জানতে পারবে তখন সেবাপ্রাপ্তদের সংখ্যা বাড়বে।

এন কে বি নয়ন/এসআর/জেআইএম