ঈদযাত্রা
সিরাজগঞ্জ মহাসড়কের এমন চিত্র আগে দেখেনি কেউ
মহাসড়কে যানজটের ছিটেফোটাও নেই
প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ উপেক্ষা করেই ঈদে স্বজনের সান্নিধ্য পেতে বাড়ির পথে ছুটছেন মানুষ। তবে এবার সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে ঈদযাত্রার চিত্র আগের চেয়ে অনেকটা ভিন্ন। মহাসড়কে সেই চিরচেনা যানজট নেই। নেই ঘর ফেরা মানুষের হুড়োহুড়ি। বাসে গাদাগাদি আর ছাদে যাত্রীও তেমনটা চোখে পড়ছে না। উত্তরাঞ্চলে এসব ভোগান্তি লাঘবে নব নির্মিত নলকা সেতু ও চারলেন বড় ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।
অপরদিকে গণপরিবহনের পাশাপাশি ঘরমুখো মানুষগুলো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপভ্যানে গন্তব্যে যাচ্ছেন। তবে যানজটের কারণে থামতে হচ্ছে না কোথাও।

বুধবার থেকেই শুরু হয়েছে সরকারি অফিসে ঈদের ছুটি। ফলে মঙ্গলবার অফিস শেষে সরকারি চাকরিজীবীদের বেশিরভাগই ঢাকা ছেড়েছেন। আর বাকিরা গতকাল ও আজ রওনা হয়েছেন। যদিও আজ থেকে শুরু গার্মেন্টসের ছুটি। এ কারণে বুধবার রাতেই কেউ কেউ ঢাকা ছেড়েছেন। আজ বাড়ির পথে ছুটছেন অনেকে।
বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম কড্ডার মোড় এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে উত্তরের ঘরমুখো মানুষ ঢাকা ছেড়ে আসছেন। এতে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়েছে। তবে কোথাও যানজটের খবর পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, মহাসড়কে দূরপাল্লার বাসের পাশাপাশি বেড়েছে ব্যক্তিগত গাড়ির চলাচল। সড়কে বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চলতে দেখা গেছে। তবে যান চলাচল স্বাভাবিক আছে।
ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ ফেরা ওবায়দুল ইসলাম বলেন, প্রথমবারের মতো ঈদে এবার স্বস্তিতে বাড়ি যেতে পারছি। বিগত সময়ে যানজট ছাড়া বাড়ি ফেরা হতো না। সিরাজগঞ্জ মহাসড়কের এমন চিত্র আগে কেউ দেখি।

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন ইয়াজদানী বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বাড়লেও এখন পর্যন্ত কোনো যানজট সৃষ্টি হয়নি।
সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার (এসপি) আরিফুর রহমান মন্ডল জাগো নিউজকে বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশের ১৪১ জন ও জেলা পুলিশের সাড়ে ৬০০ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এখন পর্যন্ত কোনো যানজট দেখা যায়নি।
এম এ মালেক/এসজে/জেআইএম