গাজীপুরে সুজনের নাগরিক সংলাপ
গাজীপুর সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সু শাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) বিশেষ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩ মে) সকালে নাগরিক সংলাপে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচনে অংশ নেওয়া সাত মেয়রপ্রার্থী।
সুজনের গাজীপুরের সভাপতি আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার শাহরিয়ারের সঞ্চালনায় সংলাপে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন জেলা সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সুনীল কুমার সরকার।
সুজনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রুবায়েত ফেরদৌস, সুজনের প্রধান সমন্বয়কারী দিলীপ সরকার, আঞ্চলিক সমন্বয়কারী তৌফিক জিল্লুর রহমানসহ ২৫টি পেশার প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সংলাপে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গ ও মেয়র প্রার্থীরা তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। সংলাপ অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী এমএম নিয়াজ উদ্দিন ও জাহাঙ্গীর আলমের মা জায়েদা খাতুন উপস্থিত ছিলেন না।

আরও পড়ুন: গাজীপুর সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে ১২ জনসহ প্রার্থী ৩৮৪
সংলাপ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজমতউল্লা খান, ইসলামী আন্দোলনের গাজী আতাউর রহমান, স্বতন্ত্রপ্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সরকার শাহনুর ইসলাম রনি, হারুন অর রশীদ, জাকের পার্টির রাজু আহমেদ, গণফ্রন্টের আতিকুল ইসলাম, নদী বাঁচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতা ফেডরিক মুকুল বিশ্বাস ও গাজীপুর জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন, গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন নেতা জিয়াউল কবির খোকন, ইমাম সমিতির নেতা মাওলানা নূরুল ইসালাম, প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতা হাজী আবদুস সালাম প্রমুখ।
আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজমতউল্লা খান বলেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন করার পরে একটি প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রী ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। আরেকটি প্রকল্পে প্রাথমিক অবস্থায় এক হাজার ৫১০ কোটি পরে সেটি বেড়ে এক হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা হয়েছে। আরেকটি প্রকল্পে একনেক থেকে পাশ হয়ে তিন হাজার ৮২৮ কোটি টাকা দিয়েছে নগরীতে ময়লা আবর্জনার ব্যবস্থাপনা ও ট্রাক বাসস্ট্যান্ড করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ৭৮২ কোটি টাকা দিয়েছেন। এ টাকাগুলো দেওয়ার পর যে সময়সীমা ছিল তার অনেকটা সময়সীমা অতিক্রান্ত হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, শুধুমাত্র অদক্ষতার কারণে এটা বাস্তবায়িত করা সম্ভব হয়নি। আমি নির্বাচিত হলে বিশ্বের সর্বাধুনিক যে প্রযুক্তি সেটা এনে এ বর্জ্যটাকে সম্পদে রূপান্তরিত করবো। মেয়র পদে নির্বাচিত হলে দুর্নীতি মুক্ত সিটি করপোরেশন গড়ে তোলাই হবে আমার প্রধান কাজ। আমি ১৮ বছর টঙ্গী পৌরসভার মেয়র ছিলাম ১৮ বছরে আমার বিরুদ্ধে কেউ ১৮ টাকার দুর্নীতির অভিযোগ আনতে পারেনি। এখানে স্বচ্ছতা থাকবে, জবাবদিহিতা থাকবে এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চত থাকবে।
মো. আমিনুল ইসলাম/আরএইচ/এএসএম