ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

৬ দফা দাবিতে যশোরে ডিপ্লোমা স্টুডেন্ট নার্সদের বিক্ষোভ

জেলা প্রতিনিধি | যশোর | প্রকাশিত: ০৫:৫৭ পিএম, ১৫ মে ২০২৩

কারিগরি মুক্ত নার্সিং, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কোর্সকে ডিগ্রি সমমান প্রদান, প্রফেশনাল বিসিএস প্রদানসহ ৬ দফা দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন ডিপ্লোমা স্টুডেন্ট নার্সেস ইউনিয়ন যশোর জেলা শাখা।

সোমবার (১৫ মে) দুপুরে সংগঠনটি প্রেস ক্লাব যশোরের সামনে এ বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে। ডিপ্লোমা স্টুডেন্ট নার্সেস ইউনিয়ন যশোর জেলা শাখার সভাপতি আবিদুর রহমানের সভাপতিত্বে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে সংগঠনের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তারা বলেন, নার্সিং এমন একটি পেশা যা সাধারণ জনগণের স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। এই পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত দক্ষ এবং উৎকৃষ্টরূপে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি নার্স বা সেবিকা নামে পরিচিত। কিন্তু সম্প্রতি গৃহীত একটি সিদ্ধান্ত বর্তমান নার্সিং সম্প্রদায়ে এক তুমুল মানসিক ক্ষোভের উদ্বেগ ঘটিয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অনুসারে আমরা দেখতে পাই বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড থেকে পাসকৃত শিক্ষার্থী যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি এবং যারা ৩-৪ বছরের পেশেন্ট কেয়ার টেকনোলজি কোর্স করার পর শুধুমাত্র ৬ মাসের ইন্টার্নশীপ যোগ্যতা সম্পন্ন করে তাদেরকে ৩ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কোর্সের সমমান করা হয়েছে। যা যোগ্যতা অনুসারে বিচার করলে চাক্ষুস পক্ষপাত দৃশ্যমান। কেননা এখানে শিক্ষাগত যোগ্যতার এক বিশাল বৈষম্য লক্ষণীয়।

মানববন্ধন থেকে এ সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। একইসঙ্গে ৬ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো- অবিলম্বে কারিগরি মুক্ত নার্সিং ব্যবস্থা চালু, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কোর্সকে ডিগ্রি সমমান চাই, প্রফেশনাল বিসিএস প্রদান, শিক্ষা উপবৃত্তি বৃদ্ধি করণ ও ইন্টার্ন ভাতা নিশ্চিতকরণ। সরকারি নার্সিংয়ে ছেলে কোটা ১০% থেকে ২০% এবং বেসরকারি নার্সিংয়ে ২০% থেকে ৩০% উন্নতিকরণ ও ছেলেদের আসাবিক হলের ব্যবস্থাকরণ।

মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে ৬ দফা দাবি মেনে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি আবিদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক দ্বি প্রজিত দে, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অর্ঘ্য রায়, অমি সাহা প্রমুখ।

মিলন রহমান/এফএ/এমএস