ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বন পাহারাদার হত্যা মামলার বিচার হলো ৩৪ বছর পর

জেলা প্রতিনিধি | কক্সবাজার | প্রকাশিত: ০৬:০৮ পিএম, ১৫ মে ২০২৩

কক্সবাজারে বন পাহারাদার মিয়াজান হত্যাকাণ্ডের ৩৪ বছর পর একজনের মৃত্যুদণ্ড ও সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৫ মে) সকালে কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সাইফুল এলাইহীর আদালতে এই রায় ঘোষণা করা হয়।

ওই আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) সুলতান উল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এনামুল হক কক্সবাজারের পেকুয়ার (সাবেক চকরিয়ার) টৈটং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও একই মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কামাল হোসনের ছোট ভাই। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত অন্য দুই আসামি হলেন- ইউনুছ ও নুরু। এনাম ছাড়া বাকি তিনজনকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরও দুই বছরের সাজা দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার সময় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তসহ সাত জন আসামি উপস্থিত ছিলেন। মামলার শুরু থেকে পলাতক রয়েছেন আসামি এনাম।

অতিরিক্ত পিপি আরও বলেন, ৩৪ বছর আগে ১৯৮৯ সালে চকরিয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল হোসেনের হেফাজত থেকে ১৫ টকুরো গাছ জব্দ করে বনবিভাগ। টৈটং বনবিভাগের পাহারাদার হিসেবে মিয়াজানের কাছে গাছগুলো জমা রাখা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কামাল হোসেন চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে মিয়াজানকে গুলি করে হত্যা করেন এনামুল হক। এ ঘটনায় নিহত মিয়াজানের চাচা গোলাম রহমান বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং এসটি ৮৩/৯৪)।

তদন্ত কর্মকর্তা ৩০ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন। আসামি পক্ষের বারবার সময় আবেদনসহ নানা জটিলতায় মামলার কার্যক্রম পিছিয়ে পড়ে। সম্প্রতি বিজ্ঞ আদালত ধাপে ধাপে ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে আজ (১৫ মে) রায় ঘোষণা করেন। চারজনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণীত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

চার্জশিটভুক্ত আরও ২৬ আাসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণীত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন।

সায়ীদ আলমগীর/এফএ/এমএস