চামড়া পাচার রোধে বেনাপোল-শার্শা সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা
ভারতে চামড়া পাচার রোধে যশোরের বেনাপোল ও শার্শা সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। নজরদারিতে আনা হয়েছে বন্দর এলাকাসহ স্থল ও রেলপথ। সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ জুন) বিকেলে যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আহমেদ হাসান জামিল ও খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তানভীর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তারা বলেন, কোরবানির পশুর চামড়া পাচার রোধে বেনাপোল ও শার্শার বিভিন্ন সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে বিজিবি। যশোরের যে সব সীমান্ত দিয়ে চামড়া পাচারের সম্ভাবনা থাকে সেগুলো নজরদারিতে রাখা হয়েছে। যাতে কেউ অবৈধভাবে চামড়া পাচার করতে না পারে সেজন্য ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্তগুলো চিহ্নিত করে টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: চামড়া পাচার রোধে সাতক্ষীরা সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার

যশোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন মুকুল বলেন, লবণের দাম বেড়ে যাওয়ায় চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। ফলে কাঁচা চামড়া কিনে সেটি প্রক্রিয়াজাত করে বিক্রির ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। আর ঢাকার আড়তদারদের কাছে টাকা বকেয়া থাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কীভাবে চামড়া কিনবেন সেটি নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েছে।
বাগআঁচড়ার চামড়া ব্যবসায়ী শেখ সহিদুল ইসলাম বলেন, পেশাদার চামড়া ব্যবসায়ীদের পুঁজি সঙ্কটের সুযোগ নেয় কারবারিরা। পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে তারা বাজার দরের চেয়ে বেশি দামে চামড়া সংগ্রহ করে। পরে সুযোগ বুঝে পাচারকারীদের কাছে তুলে দেয়।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান জানান, ঈদের পর এক সপ্তাহ ঢাকায় কোনো চামড়া পাঠানো যাবে না। কেন্দ্রীয়ভাবেই এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চামড়া বাজার স্থিতিশীল রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মো. জামাল হোসেন/আরএইচ/জিকেএস