ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

অবশেষে রোদের দেখা পেলো সিলেট, কমছে পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক | সিলেট | প্রকাশিত: ০৪:৫৮ পিএম, ০৪ জুলাই ২০২৩

সিলেটে টানা এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ভারী বৃষ্টির পর অবশেষে রোদের দেখা মিলেছে। মঙ্গলবার (৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সিলেটে রৌদ্রোজ্জ্বল পরিবেশ বিরাজ করছে।

এদিকে সারাদিন রোদ থাকায় সিলেটের সবগুলো নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। সোমবার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে ৮৬ দশমিক ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৩০৭ দশমিক ৪ মিলিমিটারের বেশি।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ৬টার দিকেও সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। সকাল ৭টার পর থেকে আর বৃষ্টি হয়নি। সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত দিনের প্রথম তিন ঘণ্টায় সিলেটে মাত্র দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় পানির উচ্চতা ছিল ১১ দশমিক ৮৭ সেন্টিমিটার। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় পানি ১১ দশমিক ৩১ সেন্টিমিটার উচ্চতা দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর এই পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হচ্ছে। এ পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার।

সুরমা নদীর সিলেট সদর পয়েন্টে সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় ১০ দশমিক ২১ সেন্টিমিটার উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় দশমিক ২৭ সেন্টিমিটার পানি কমে ৯ দশমিক শূন্য ৯৪ সেন্টিমিটারে দাঁড়ায়। এ পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ সেন্টিমিটার।

কুশিয়ারা নদীর অমলসীদ পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার। সেখানে সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় পানি ছিল ১২ দশমিক ৪৭ সেন্টিমিটার। আজ দুপুর ১২টায় সেখানে দশমিক ১৩ সেন্টিমিটার পানি কমে ১২ দশমিক ৩৪ সেন্টিমিটার উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

কুশিয়ারার শেওলা পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার। সেখানে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ছয়টায় পানি ছিল ১০ দশমিক ৬৫ সেন্টিমিটার। আজ বিকেল ৩টায় সেখানে দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার পানি কমে ১০ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

এই নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্ট বিপৎসীমা ৯ দশমিক ৪৫ সেন্টিমিটার। সেখানে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ছয়টায় পানি ছিল ৯ দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার। আজ বিকেল ৩টায় সেখানে মাত্র দশমিক ৩ সেন্টিমিটার পানি কমে ৯ দশমিক ১৩ সেন্টিমিটার উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

লোভা নদীর লুভাছড়া পয়েন্টে সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় ১২ দশমিক ২৭ সেন্টিমিটার উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় এই পয়েন্টে দশমিক ৭২ কমে ১১ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটারে দাঁড়িয়েছে।

বাংলার নীলনদ খ্যাত সারী নদের সারিঘাট পয়েন্ট পানির বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৩৫ সেন্টিমিটার। সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় এর পানির উচ্চতা ছিল ১১ দশমিক ২৬ সেন্টিমিটার। সেখানে আজ বিকেল ৩টায় দশমিক ৫৩ সেন্টিামিটার পানি কমেছে। বর্তমানে এ পয়েন্টে ১০ দশমিক ৭৩ সেন্টিমিটার উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

সিলেট আবহাওয়া অধিদপ্তরের ইনচার্জ সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজীব হোসাইন জাগো নিউজকে জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া বিরাজ করছে। গত এক সপ্তাহের মধ্যে আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন ২৪ দশমিক ৫।

ছামির মাহমুদ/এফএ/এমএস