ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

সোনারগাঁয়ে পুলিশের মামলা

বিদেশে থেকেও আসামি হলেন বিএনপির দুই নেতা

উপজেলা প্রতিনিধি | সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) | প্রকাশিত: ০৭:৩৪ পিএম, ৩০ অক্টোবর ২০২৩

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে হরতালের দিন নাশকতার অভিযোগে বিদেশে থাকা বিএনপি ও ছাত্রদলের দুই নেতার বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আরও ৮৩ নেতাকর্মীর নামও উল্লেখ করা হয়।

রোববার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে সোনারগাঁ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মহিবুল্লাহ বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

জানা যায়, ২৮ অক্টোবর রাতে কাঁচপুরে নাশকতার অভিযোগে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সোনারগাঁ থানা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নানসহ ৮৫ নেতাকর্মীর নামে মামলা হয়েছে। এ সময় আরও ৭০-৮০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

মামলার ১৯ নম্বর আসামি করা হয়েছে কাঁচপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. মোমেন খাঁন। তিনি চলতি মাসের ১৯ অক্টোবর চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। বর্তমানে তিনি ভারতের অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মামলার বিষয়ে জানতে মোমেন খাঁনের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে কল দিলে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ১৯ অক্টোবর হার্টের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভারতে এসেছি। বর্তমানে এখনো ভারতের অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি হার্টের সমস্যায় ভুগছি। তাই আমি রাজনীতিতে তেমন সক্রিয় নই। কিন্তু বিনা কারণে পুলিশ আমাকে মামলার আসামি করেছে।

মামলার ৩২ নম্বর আসামি করা হয়েছে কাঁচপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি পীর মোহাম্মদ পিরুর ছেলে সালেহ মোহাম্মদ শান্তকে তিনি কাঁচপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তার বাড়ি কাঁচপুর ইউনিয়নের পূর্ব বেহাকৈর গ্রামে। তিনি চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি থেকে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে বিদেশে অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

সালেহ মোহাম্মদ শান্তর বাবা মোহাম্মদ পিরু জাগো নিউজকে বলেন, আমার ছেলে ২৩ জানুয়ারি থেকে মালয়েশিয়ায়। এর মধ্যে দেশেও আসেনি। তাহলে আমার ছেলে বিদেশে থেকে কীভাবে নাশকতা মামলার আসামি হয়, তা আমার বুঝে আসে না।

সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, এ সরকার একের পর এক গায়েবি মামলা দিচ্ছে। আমাদের দুজন লোক বিদেশে আছেন। তাদেরও মামলার আসামি করা হয়েছে। এতেই প্রমাণ হয় বিএনপি নেতাদের হয়রানি করতে এ মামলা দিয়েছেন।

মামলার বাদি সোনারগাঁ থানার এসআই মহিবুল্লাহ জাগো নিউজকে বলেন, এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করবো না। ওসি স্যার এ বিষয়ে কথা বলতে পারবেন।

এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম সুমনের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি।

তবে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ-অঞ্চল) শেখ বিল্লাল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, তদন্ত করে বিষয়টি দেখা হচ্ছে।

রাশেদুল ইসলাম রাজু/এসজে/এমএস