ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

কুমিল্লায় স্কুলছাত্র হত্যার রহস্য উদঘাটন

জেলা প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ০১:৫৯ পিএম, ০৫ এপ্রিল ২০১৬

কুমিল্লার বরুড়ায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্কুলছাত্র ইব্রাহিম খলিলকে হত্যার পর মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলামের আদালতে হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন নিহত ইব্রাহীমের চাচি হোসনেয়ারা বেগম।  

কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।

জানা যায়, গত ৩১ মার্চ উপজেলার শাকপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী আবুল কাশেমের ছেলে স্থানীয় শাকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ইব্রাহিম খলিল (৭) বাড়ির পাশে ফুটবল খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। এর তিন দিন পর ২ মার্চ তাদের বাড়ির একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে গলায় বিদ্যুতের তার পেঁচানো অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবুল কাশেম খবর পেয়ে সৌদি আরব থেকে গত ১ এপ্রিল দেশে ফেরেন এবং তিনি বাদী হয়ে বরুড়া থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এদিকে, এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ সুপারের নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এসআই শাহ কামাল আকন্দ ও সহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত এক টিম থানা পুলিশকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। এরপর তারা বাড়ির আশপাশের লোকজনদের বিভিন্নভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এক পর্যায়ে তারা ইব্রাহিমের চাচি সৌদি প্রবাসী আবুল বাশারের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগমকে (৩৫) আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন আরো জানান, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে হোসনেয়ারা তার ঘরে ডেকে নিয়ে শিশু ইব্রাহিমকে গলাটিপে হত্যার পর মরদেহ ঘরের খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে। এরপর গভীর রাতে গলায় বৈদ্যুতিক তার পেঁচিয়ে একটি সেপটিক ট্যাংকে মরদেহ ফেলে দেয়।

কামাল উদ্দিন/এআরএ/এবিএস