ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

কাউন্সিলরকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও ভাঙচুর

প্রকাশিত: ০৭:১৭ এএম, ১১ এপ্রিল ২০১৬

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া পৌরসভায় এক ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে ইউএনও-র বাসা ঘেরাও, বিক্ষোভ মিছিল, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও পুলিশের কাভার্ড ভ্যান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, শনিবার টুঙ্গিপাড়া খান সাহেব শেখ মোশারাফ হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ক্যাপ্টেন সোহাগ রানার সঙ্গে ওই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রের কথা কাটাকাটি হয়।

ওইদিন এ ঘটনা মীমাংসার জন্য বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি একটি সালিশ বৈঠক করে। সালিশ বৈঠক চলাকালে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়।

এদিকে এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ আকরাম বাদী হয়ে  টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। রোববার সন্ধ্যায় পুলিশ ওই মামলায় টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম নুরুকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সকালে স্থানীয় জনগণ টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবন ঘেরাও করে ওসি মাহমুদুল হক, এসআই মনির ও এসআই মুজাহিদের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।

এ সময় পুলিশ তাদের বাধা দিলে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। উত্তেজিত জনতা পুলিশের একটি কাভার্ড ভ্যানে ভাঙচুর চালায়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সফিউল্লাহ বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করে এবং সমস্যা সমাধানে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয়।

এ ব্যাপারে টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার মেয়র শেখ আহম্মদ হোসেন মীর্জা বলেন, প্রধান শিক্ষকের করা মিথ্যা মামলায় পৌর কাউন্সিলর ও পৌর ছাত্রলীগের সভাপতিকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে স্থানীয় নারী পুরুষ বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। ওই সময় পুলিশ আন্দোলনরত নারীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করে। এর প্রতিবাদে স্থানীয় জনগণ ওসি মাহমুদুল হক, এসআই মনির ও এসআই মুজাহিদের অপসারণ দাবি করে। এ ঘটনার খবর পেয়ে আমি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করি। বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

গোপালগঞ্জের এএসপি (সার্কেল) মো. আমিনুল ইসলাম পুলিশের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত।

হুমায়ূন কবীর/এসএস/আরআইপি