ভারত থেকে মাছের চালানে এলো শাড়ি-থ্রিপিস
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোলে চোরাচালান প্রতিরোধে স্থাপিত স্ক্যানিং মেশিনটি দীর্ঘদিন ধরে অচল। এ সুযোগে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে বৈধ পথে আমদানি পণ্যের সঙ্গে চোরাচালান বেড়েছে।
শনিবার (৯ মার্চ) রাতে আমদানি করা মাছের ট্রাক থেকে শাড়ি, থ্রি-পিসের একটি চালান উদ্ধার করেছেন কাস্টমস সদস্যরা। পণ্য চালানটির আমদানিকারক লাকি এন্টারপ্রাইজ।
কাস্টমস থেকে চালানটি খালাসের চেষ্টা করছিলেন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট সোনালী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্সি লিমিটেডের শান্ত। এর আগেও এ ধরনের পণ্য চালান একাধিবার আটক করেছে কাস্টমস।
স্থানীয়রা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে ভারত থেকে আসা মাছবাহী একটি ট্রাক তল্লাশি করে প্রায় ১০ লাখ টাকা মূল্যের শাড়ি ও থ্রি-পিসের চালান উদ্ধার করেছেন কাস্টমস সদস্যরা।
মাছ বহনকারী ভারতীয় ট্রাকটির চালক আলমগীর বলেন, ‘আমার ট্রাক থেকে শাড়ি, থ্রি-পিসের চালান উদ্ধার করেছে। তবে কারা এসব উঠিয়েছে তা আমার জানা নেই। আমাকে মাছের কার্টন বুঝিয়ে দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে।’
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সুলতান মাহামুদ বিপুল বলেন, স্ক্যানিং মেশিন নষ্ট থাকায় নিরাপদ বাণিজ্য ঝুঁকিতে পড়ছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, স্ক্যানিং মেশিনগুলো চালু করতে কাস্টমস কর্মকর্তাকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। মালামাল আটকের বিষয়টি কাস্টমসের।
এ বিষয়ে বেনাপোল কাস্টম হাউজের যুগ্ম-কমিশনার হাফিজুল ইসলাম বলেন, কাগজপত্র ও মালামাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আটক মালামালের মূল্য ও কত টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হচ্ছিল তা জানা যাবে। এ ঘটনায় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও আমদানিকারকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জামাল হোসেন/এসআর/এমএস