ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

দুদিনের অভিযানে ৫ ছিনতাইকারী গ্রেফতার, ৬ ইজিবাইক উদ্ধার

জেলা প্রতিনিধি | যশোর | প্রকাশিত: ০৩:৩৬ পিএম, ১৭ মার্চ ২০২৪

মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে যশোর পিবিআই ইজিবাইক ছিনতাইকারী চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার ও ছয়টি ইজিবাইক উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুদিন ধরে যশোর ও মাগুরায় অভিযান চালিয়ে এই ইজিবাইক উদ্ধার ও ছিনতাইকারী চক্রকে গ্রেফতার করা হয়।

শনিবার (১৬ মার্চ) রাতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) যশোরের পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতাররা হলেন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার কেকানিয়া গ্রামের লিয়াকত আলী শেখের ছেলে রাফি শেখ রাব্বি (২৭) ও ঘোড়াদাড়ি গ্রামের আলাউদ্দিন শেখের ছেলে আশিকুর রহমান শাকিল (২৬), মাগুরা সদর উপজেলার সাতদোহাপাড়া গ্রামের আইনুদ্দিন শিকদারের ছেলে আমিনুর ইসলাম (৪০) ও নাইমুল ইসলাম(৪১) এবং মহম্মদপুর উপজেলার খালিয়া গ্রামের ফারুক লস্করের ছেলে এমেজ লস্কর (৩২)।

পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন জানান, চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাশেমপুর গ্রামের সালমান হোসেনকে চেতনানাশক মিশ্রিত খাবার খাইয়ে কেশবপুরের মঙ্গলকোট এলাকা থেকে তার ইজিবাইক ও মোবাইল ফোন নিয়ে যান যাত্রীবেশী কয়েকজন দুর্বৃত্ত। ১৪ মার্চ সালমান যশোর পিবিআই অফিসে অভিযোগ জানালে পিবিআই ছায়াতদন্ত শুরু করে।

এক পর্যায়ে সালমানের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের সূত্রধরে ইজিবাইক ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৫ মার্চ যশোর শহরের গাড়িখানা এলাকা থেকে আশিকুর রহমান শাকিল ও রাফি শেখ রাব্বিকে গ্রেফতার করা হয়। আসামি শাকিলের নিকট হতে সালমানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার খালিয়া বাজার থেকে আমিনুর ও এমেজ লস্করকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় সালমানের ইজিবাইকসহ আরও একটি চোরাই ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মাগুরা শহরের ঢাকা রোডের শিকদার অটো হাউজ মালিক নাইমুল ইসলামকে গ্রেফতার এবং তার দোকান থেকে আরও একটি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়। এরপর আসামিদের তথ্য অনুযায়ী আরও তিনটি চোরাই ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতাররা পিবিআইকে জানান, তারা ইজিবাইক ছিনতাই ও বিক্রয় দলের সক্রিয় সদস্য। তারা যশোর জেলায় কেশবপুর ও মনিরামপুর থানা এলাকা হতে ওই ইজিবাইকগুলি ছিনতাই করে মাগুরাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে। আসামি শাকিল ও রাব্বি, তারা কৌশলে সালমানকে চেতনানাশক ওষুধ মিশ্রিত বিস্কুট ও পানি পান করিয়ে ইজিবাইক চুরি করে নিয়ে যান।

পুলিশ সুপার আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমিনুর ইসলাম ও নাইমুল ইসলাম চোরাই ইজিবাইক সংরক্ষণ, ক্রয় ও অসাধুভাবে জ্ঞাতসারে চোরাই ইজিবাইক গোপন করার অপরাধের জড়িত বলেস্বীকার করলে শনিবার তাদেরকে সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হয়। মামলার তদন্ত অব্যহত রয়েছে।

মিলন রহমান/এনআইবি/জিকেএস