ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

শেখ হাসিনার জন্য কবর খোঁড়া শিবির নেতারা এখন আওয়ামী লীগে

প্রকাশিত: ০২:০১ পিএম, ১১ মে ২০১৬

সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় সংগঠিত হচ্ছে জামায়াত-শিবির। ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘোষণার পর তাণ্ডব চালায় ওরা।

একে একে ১৭ জন আ.লীগ নেতাকর্মীকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে, কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যাযজ্ঞ চালায় তারা।

সারাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে সাতক্ষীরা। ওই সময় সাতক্ষীরা মিনি পাকিস্তান হিসেবে নতুন নামে পরিচিত পায়। এ সময়  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের গায়েবি কবর রচিত হয় সাতক্ষীরায়।

সেই সহিংসতা ও তাণ্ডব সৃষ্টিকারী জামায়াত-শিবিরকর্মীরাই এখন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ছত্রছায়ায় সংগঠিত হচ্ছে বলে অভিযোগ খোদ আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাদের।

২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির পর দেবহাটার পারুলিয়ায় যুবলীগ নেতা নৃশংসভাবে জামায়াত-শিবিরের হাতে হত্যার শিকার আবু রায়হানের চাচাতো ভাই শহিদুল্লাহ বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের কবর রচনাকারী আফগান জিয়া, সাইফুল্লাহ, গোলাম মুন্সী, নজরুল ইসলাম, ফজলু মেম্বর, রবিউল ইসলাম, মাসুদ, আব্দুল হালিম ও কলা রবিউল এরা এখন পারুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিনুর নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ হচ্ছে।

Satkhira

তাদের নামে নাশকতা ও ত্রাশ সৃষ্টির মামলা থাকলেও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে তারা। যা ত্যাগী নেতাদের মনে ভীতির সঞ্চার করছে। আমাদের দলে মিশে যে কোনো মুহূর্তে নাশকতা চালাতে পারে তারা।

অন্যদিকে, তালা উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও পুলিশের উপর হামলা মামলার আসামি সরদার জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে জামায়াত-শিবির প্রীতির অভিযোগ উঠেছে।
 
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবির ক্যাডার তালার খড়েরডাংগা গ্রামের মোমিন সরদারের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান রেন্টু এখন এই যুবলীগ নেতার সহযোগী। রেন্টু নাশকতা মামলায় বর্তমানে জামিনে মুক্ত আসামি। তার ছোট ভাই খুলনা বিএল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের হরতাল অবরোধে গাড়ি ভাঙচুর মামলার অন্যতম আসামি। তাছাড়া হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত একাধিক আসামিও এখন এই যুবলীগ নেতার সহচর।
 
জামায়াত-শিবির প্রীতি এসব নেতাদের বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মুনসুর আহম্মেদ জাগো নিউজকে বলেন, এসব বিষয় আমার জানা নেই। তবে অবশ্যই এসব বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হবে। প্রমাণ পেলে জামায়াত-শিবির প্রীতি এসব নেতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আকরামুল ইসলাম/ এমএএস/পিআর