গরু চুরির অভিযোগে গ্রাম পুলিশ কারাগারে
বরগুনার তালতলীতে গরু চুরির অভিযোগে এক গ্রাম পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। কারাগারে পাঠানো ওই গ্রাম পুলিশ সদস্যের নাম মো. আল-আমীন (২৫)। তিনি তালতলী উপজেলার নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ সদস্য।
রোববার সকালে তাকে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক বৈজয়ন্ত বিশ্বাস তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গরু চুরির অভিযোগে শনিবার সন্ধ্যায় তালতলী থানায় মামলা হলে পুলিশ তাকে রাতেই আটক করে। গরু চুরির অভিযোগের কারণে ওই গ্রাম পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান।
জানা গেছে, তালতলী উপজেলার মরানিদ্রা গ্রামের হতদরিদ্র ও বাক-প্রতিবন্ধী গৃহবধূ সুপিয়া বেগমের একটি গরু এক সপ্তাহ আগে বিল থেকে চুরি হয়ে যায়। অনেক খোঁজা-খুঁজির পর সেই গরুটি শনিবার সন্ধ্যায় ওই গ্রামের গ্রাম পুলিশ মো. আল-আমিনের বাড়িতে পাওয়া যায়। পরে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. দুলাল ফরাজী খবর পেয়ে চুরি যাওয়া গরুটি উদ্ধার করে তালতলী থানায় নিয়ে আসেন।
এরপর গরুর মালিক সুফিয়া বেগম বাদী হয়ে আল-আমিনকে আসামি করে তালতলী থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করেন। পুলিশ শনিবার রাতে গ্রাম পুলিশ সদস্য আল-আমিনকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।
এরপর রোববার সকালে তাকে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালতের বিচারক বৈজয়ন্ত বিশ্বাস তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. দুলাল ফরাজী জানান, আল-আমীনের বিরুদ্ধে গরু চুরির অভিযোগ সত্য। এ কারণে আল-আমিনকে গ্রাম পুলিশের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
সাইফুল ইসলমা মিরাজ/এআরএ/এবিএস