সীমান্তে কিশোর হত্যার ঘটনায় বিএসএফের শাস্তির দাবি
ফাইল ছবি
আম পাড়তে গিয়ে জীবননগর উপজেলার নতুনপাড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে শিহাব উদ্দিনের মৃত্যুর ঘটনায় দোষী বিএসএফ সদস্যের কঠোর শাস্তি দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনেরা।
নিহত শিহাব উদ্দিনের মা দেলওয়ারা বেগম ও বোন জেসমিন খাতুন দোষী বিএসএফ সদস্যের শাস্তি এবং আর কোনো বাংলাদেশিকে যেন সীমান্তে হত্যা করা না হয় সে বিষয়ে সরকারের কাছে দাবি করেন। শিহাবের গ্রামের বাড়ি গোয়ালপাড়ায় বর্তমানে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে।
এদিকে, রোববার সকালে উপজেলার নতুনপাড়া সীমান্তের ৬৬নং প্রধান পিলারের কাছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বিএসএফের কাছে বাংলাদেশি নাগরকি শিহাব উদ্দিন সজলকে হত্যাকারী বিএসএফ সদস্যের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায় বিজিবি।
উচ্চ পর্যায়ে তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে বিএসএফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বৈঠকের পর সন্ধ্যায় সিমানগর বিএসএফ কোম্পানি কমান্ডার অনুভব আত্রাইয়াসহ ৭ জনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে চুয়াডাঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ আমির মজিদ জানিয়েছেন।
বৈঠকে বিজিবির কুষ্টিয়া সেক্টর কমান্ডার উপ-মহাপরিচালক কর্ণেল মো. মাহাবুবুর রহমান, পিএসসি এবং বিএসএফের কৃষ্ণনগর সেক্টর কমান্ডার ডিআইজি কিলাস লাল সাহ নেতৃত্ব দেন।
চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্ণেল আমির মজিদ জানান, সীমান্ত এলাকায় আমবাগান লিজ নিয়ে বাংলাদেশিরা ব্যবসা করে থাকেন। বিষয়টি তার জানা ছিলো না। লিজের বিষয়টি রোধ করা হবে।
সালাউদ্দীন কাজল/এফএ/পিআর