জাতীয় অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র মাছচাষিদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ
ফাইল ছবি
রাজধানীর একটি হোটেলে আঞ্চলিক কর্মশালায় অংশ নিয়ে আলোচকরা বলেছেন, ক্ষুদ্র মাছচাষিরা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন এবং পুষ্টির চাহিদা ও দারিদ্র বিমোচন সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কাজ করে যাচ্ছেন।
এশিয়ার ক্ষুদ্র কৃষক সমিতিকে শক্তিশালীকরণ, ক্ষমতায়ন এবং টেকসই করার লক্ষ্যে রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং বাংলাদেশ শ্রিম্প ও ফিস ফাউন্ডেশন (বিএসএফএফ) যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালায় আলোচকরা আরো বলেন, ছোট মাছচাষিদের কাজের ক্ষেত্রে অনেক সীমাবদ্ধতা ও প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে তাদের এগিয়ে যেতে হয়। জাতীয় অর্থনীতিতে ও তাদের ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক উন্নয়নে যার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। তাদের জন্য কাজ করতে পারে এমন কার্যকরী সংগঠন ছোট মাছচাষিদের ব্যাপক অর্থে লাভবান করতে পারে। যাতে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মাছচাষিদের সহায়তায় এ রকম সংগঠন গড়ে তোলা ও এদের ক্ষমতায়নের জন্য উদ্যোগ সার্বিকভাবে সহায়ক হবে।
মৎস্য ও প্রাণি সম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণে তিনি উপস্থিত হতে পারেননি।
কর্মশালায় মৎস্য বিভাগের পরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ ছাড়াও এফএও এর ঢাকা অফিসের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা,ভিয়েতনাম ও কিরগিজস্তান পাচঁটি এশিয়ান দেশের রিসোর্স পারসন, পশু সম্পদ মন্ত্রনালয় ও মৎস্য অধিদফতরের প্রতিনিধিরা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ শ্রিম্প অ্যান্ড ফিস ফাউন্ডেশন (বিএসএসএফ) এর চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহমুদুল হক কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানান এবং কর্মশালা পরিচালনা করেন ।
ফিলিপাইন, শ্রীলংকা, ভিয়েতনাম এবং কাজাগিস্তান থেকে গবেষকরা তাদের গবেষণায় ক্ষুদ্র খামারিদের সাফল্যের সহায়ক অনুঘটকগুলো তুলে ধরেছেন। ছোট কৃষক সমিতি টেকসইয়ে তারা দৃঢ় সংগঠন এবং ব্যবস্থাপনা ইস্যুর উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। বাংলাদেশে মৎস্য ও অ্যাকুয়াকালচার খাতের সাম্প্রতিক অর্জনগুলোও কর্মশালায় উপস্থাপনা করা হয়।
এফএইচএস/এআরএস/জেআইএম