EN
  1. Home/
  2. অর্থনীতি

রবির শেয়ারে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের ১০২৩ শতাংশ আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৯:৫৭ এএম, ৩০ নভেম্বর ২০২০

শেয়ারবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের মাধ্যমে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাওয়া মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান রবি আজিয়াটার প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন যোগ্য বিনিয়োগকারীরা।

আইপিওতে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের জন্য যে পরিমাণ শেয়ার বরাদ্দ রয়েছে তার ১০ গুণের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। যোগ্য বিনিয়োগকারীদের আইপিও আবেদন জমা পড়ার হার ১০২৩ শতাংশ।

যোগ্য বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও রবির আইপিও পেতে মরিয়া। তাদের জমা পড়া আইপিও আবেদনের পরিসংখ্যানও সে কথাই বলছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য আইপিওতে কোম্পানিটির মোট শেয়ারের তুলনায় আবেদন পড়েছে তার তিনগুণ অর্থাৎ তিনশ শতাংশেরও বেশি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যোগ্য ও সাধারণ বিনিয়োগকারীরা মিলে রবি আইপিওতে ২২২৭ কোটি টাকার আবেদন জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে যোগ্য বিনিয়োগকারীরা প্রায় ১৫৮৭ কোটি টাকা ও সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ৬৪০ কোটি টাকার আবেদন করেছেন।

রবি আজিয়াটা লিমিটেডের আইপিওতে শেয়ারের জন্য ২৩ কোটি ২০ লাখ শেয়ার বা ২৩২ কোটি টাকার বিপরীতে ৬৪০ কোটি টাকার আবেদন করেছেন ১২ লাখ ৮০ হাজার সাধারণ বিনিয়োগকারী।

অপরদিকে, যোগ্য বিনিয়োগকারীরা তাদের জন্য বরাদ্দ রাখা ১৫৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ারের বিপরীতে ১৫৮৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকার আবেদন করেছেন। তথ্য অনুসারে, ৬২১ জন যোগ্য বিনিয়োগকারী রবির আইপিও শেয়ারের জন্য আবেদন জমা দিয়েছেন।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে অনুমোদন নিয়ে রবি আজিয়াটার আইপিওতে আবেদন গ্রহণ শুরু হয় ১৭ নভেম্বর। যা চলে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত।

নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং আইপিও খরচের জন্য রবিকে অভিহিত মূল্যে শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৫২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৩৩ হাজার ৩৪০ টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

এ টাকা তোলার জন্য কোম্পানিটি ৫২ কোটি ৩৭ লাখ ৯৩ হাজার ৩৩৪টি সাধারণ শেয়ার আইপিওতে ইস্যু করছে। এর মধ্যে ১৩ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার ৯৩৪টি শেয়ার কোম্পানির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে ইস্যু করা হবে।

আইপিও অনুমোদনের সময় বিএসইসি জানায়, কোম্পানিটির ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৪ পয়সা। আর পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৬৪ পয়সা।

কোম্পানিটিকে পুঁজিবাজারে আনতে ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট।

আইপিও অনুমোদনের পর আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস থেকে জানানো হয়, রবি পুঁজিবাজার থেকে ৫২৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে, যা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ আইপিও। উত্তোলিত অর্থ রবির নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য ব্যবহৃত হবে। টেলিকমিউনিকেশন খাতের দ্বিতীয় কোম্পানি হিসেবে রবির তালিকাভুক্তি বাজারের মূলধনকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, আইডিএলসি ২০১৬ সালে রবি-এয়ারটেল একীভূতকরণেও উপদেষ্টা হিসাবে কাজ করেছে, যা বাংলাদেশের বৃহত্তম মার্জার লেনদেনগুলোর মধ্যে অন্যতম।

এমএএস/এসএস/জেআইএম