ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. অর্থনীতি

জীবন বিমার বার্ষিক ব্যবসার হিসাব: প্রতিবেদন ১৬ জানুয়ারির মধ্যে

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৬:১৯ পিএম, ২৬ ডিসেম্বর ২০২২

জীবন বিমা কোম্পানি ও করপোরেশনের ২০২২ সালের ব্যবসার হিসাব তৈরি করতে ফরম নির্ধারণ করে দিয়েছে বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। আগামী ১৬ জানুয়ারির মধ্যে তিনটি ফরমের নির্ধারিত ছকে দেশের সব জীবন বিমা কোম্পানিকে চলতি বছরের ব্যবসার হিসাব আইডিআরএ’রতে জমা দিতে হবে। বিমা আইন ২০১০’র ৪৯ ধারার ক্ষমতাবলে কোম্পানিগুলোকে এ বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছে আইডিআরএ।

কোনো কোম্পানি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হলে অথবা হিসাব প্রতিবেদনে কোনো ধরনের গড়মিল করলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইডিআরএর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আইডিআরএ জানিয়েছে, ২০২২ সালে প্রদর্শিত প্রথম বর্ষ বিমা ব্যবসার বিপরীতে ব্যাংক জমা অবশ্যই ২০২৩ সালের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে হতে হবে। ১৫ জানুয়ারির পরে ব্যাংক জমা দেখানো হলে তা ২০২৩ সালের হিসাবে গণ্য হবে। এছাড়া প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম আয়ের বিপরীতে কালেকশন ইন হ্যান্ড, ক্যাশ ইন ট্রানজিট, কালেকশন কন্ট্রোল অ্যাকাউন্ট ও ব্রাঞ্চ কন্ট্রোল এ্যাকাউন্ট শিরোনামে কোনো অর্থ প্রদর্শন করা যাবে না।

আর ব্যবসার সমাপনী বিবরণীতে আউটস্ট্যান্ডিং প্রিমিয়াম (নবায়ন প্রিমিয়ামের বিপরীতে প্রদর্শন করা হয়) শিরোনামে দেখানো অর্থের যে অংশ ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে আদায় হবে তা উল্লেখ করে বিস্তারিত বিবরণী আগামী ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আইডিআরএ’র কাছে জমা দিতে হবে।

নির্ধারিতে ছকে তৈরি করা বিমা ব্যবসার সমাপনী প্রতিবেদনে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও)-এর মাধ্যমে সত্যায়িত হতে হতে। সিইও এবং সিএফও’র সত্যায়িত প্রতিবেদনের ৪টি সেট আইডিআরএ’র কাছে জমা দিতে হবে।

আইডিআরএ সূত্র জানায়, হিসাব প্রতিবেদনে আইডিআরএ নির্ধারিত একটি ফর্মে ১৫টি ছক রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- প্রথম বর্ষ ব্যবসা, কমিশন প্রদান, উন্নয়ন কর্মকর্তাদের বেতন, নবায়ন প্রিমিয়াম, নবায়ন কমিশন, প্রশাসনিক ও অন্য খরচ, মোট ব্যবস্থাপনা খরচ, ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত ব্যাংক জমা, জীবন বিমা তহবিল, বিনিয়োগ, ব্যাংক ব্যলেন্স ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত, ক্যাশ ব্যালেন্স ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত, এজেন্ট ব্যালেন্স ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত, অগ্রিম ব্যয়সমূহ ও আউটস্ট্যান্ডিং প্রিমিয়াম। এ ১৫টি ছকে ৬৬টি বিষয়ের তথ্য পৃথক পৃথকভাবে উপস্থাপন করতে হবে।

এছাড়া ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ খাতে যেসব ব্যয় হবে তা পৃথক পৃথকভাবে হিসাব বিবরণীতে দেখাতে বলা হয়েছে। যেমন- অফিস ভাড়া, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন, গাড়ির জ্বালানি ও অবচয়, মনিহারি ব্যয় এসব খরচের খাতের যে ব্যয় হবে তার প্রতিটি পৃথকভাবে দেখাতে হবে।

সূত্র জানায়, নির্ধারিত ছকে প্রতিবেদন চেয়ে কোম্পানিগুলোকে পৃথক চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে প্রতিবেদন দাখিলে ব্যর্থ হলে বিমা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

এমএএস/এমকেআর/জেআইএম