ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. অর্থনীতি

বিশ্বব্যাংকের সায়ে রোহিঙ্গাদের উন্নয়নে কাজের মেয়াদ বাড়ছে

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৯:৫৩ পিএম, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে আশ্রিত রোহিঙ্গা ও সেখানকার স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য জ্বালানি, পানি, পয়োনিষ্কাশন সেবা ও জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য অনুদান দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

সংস্থাটি ফাইন্যান্সিং অ্যাগ্রিমেন্টের মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে। এছাড়া আরও ৩১২ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে। ‘ইমার্জেন্সি মাল্টি-সেক্টর রোহিঙ্গা ক্রাইসিস রেসপন্স’ প্রকল্পের আওতায় বাড়তি অনুদান ও চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির কারণে প্রকল্পের মেয়াদও এক বছর বাড়ছে।

মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পটির মূল অনুমোদিত ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) অনুযায়ী ৩৩৭ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ব্যয়ে সেপ্টেম্বর ২০১৮ হতে আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত মেয়াদে বাস্তবায়নাধীন ছিলো। প্রকল্পের আওতায় বেশ কিছু কাজ বাস্তবায়ন বাকি থাকায় এবং বিশ্বব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ৩ কোটি মার্কিন ডলার অনুদান পাওয়ার ফলে প্রকল্পটির প্রথম সংশোধিত ডিপিপি অনুযায়ী ৫৯৯ দশমিক ২০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ থেকে জুন, ২০২৩ পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়।

আইএমইডি জানায়, এরই মধ্যে বিশ্বব্যাংক থেকে ফাইন্যান্সিং অ্যাগ্রিমেন্টের মেয়াদ ৩০ জুন ২০২৪ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যেহেতু বিশ্বব্যাংক ফাইন্যান্সিং চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়েছে ফলে প্রকল্পটির অবশিষ্ট কাজ শেষ করতে এর মেয়াদ জুন, ২০২৪ পর্যন্ত বাড়ানো হবে।

বিশ্বব্যাংকের নতুন অনুদানে এ প্রকল্পের আওতায় ৮১ হাজার মানুষের জন্য ৪০টি বহুমুখী আশ্রয়কেন্দ্র, জলবায়ু সহনশীল রাস্তা, চার হাজার সৌরবিদ্যুৎচালিত সড়কবাতি স্থাপনসহ বেশ কিছু কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

এছাড়া এ অর্থায়ন সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা ও সমন্বয়, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রেও সহায়তা করবে।

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, রোহিঙ্গা সংকটের শুরু থেকে তাদের চাহিদা পূরণে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করছে বিশ্বব্যাংক। পাশাপাশি সেখানকার স্থানীয় বাংলাদেশিদেরও সহযোগিতা করা হচ্ছে। রোহিঙ্গারা বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকে কক্সবাজারের অবকাঠামোসহ মৌলিক যেসব চাহিদা রয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এ অনুদান সেই চাপ কিছুটা হলেও কমাতে সহযোগিতা করবে।

এমওএস/এমকেআর/এএসএম