শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
গভর্নিং বডি-ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির মেয়াদ বাড়লো
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডির সভাপতিদের মেয়াদ আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। অন্যান্য বোর্ডগুলো একই পথে হাঁটবে।
ঢাকা বোর্ড থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে গত ১৮ জানুয়ারি এ তথ্য জানানো হয়। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এটি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকাসহ অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের (নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি) প্রবিধানমালা, ২০২৪’-এর ৬৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে সভাপতিদের দায়িত্বের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ১৫ জানুয়ারি নির্দেশনা দিয়েছে। যার ফলে বোর্ডের আওতাধীন সকল বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডির বর্তমান সভাপতিরা ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা পৃথক পরিপত্রে জানানো হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং বিদ্যমান সার্বিক পরিস্থিতির কারণে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কার্যক্রমে যেন কোনো অচলাবস্থা সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে সভাপতিদের দায়িত্বের মেয়াদ সাময়িকভাবে বাড়ানো প্রয়োজন। সে অনুযায়ী সব শিক্ষা বোর্ডকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
জানা যায়, চলমান এক রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ডিভিশন ২০২৪ সালের সংশোধিত প্রবিধানমালা অনুযায়ী অ্যাডহক ও নিয়মিত কমিটি গঠন সংক্রান্ত একটি পরিপত্র তিনমাসের জন্য স্থগিত করেন। এ অবস্থায় অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে প্রবিধানমালার ৬৯ অনুচ্ছেদ কার্যকর রাখা হয়।
প্রবিধানমালার এ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে নতুন কমিটি গঠিত না হলে, উপজেলাপর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং জেলাপর্যায়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা তার প্রতিনিধি সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। তারা সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেবেন।
তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতিরা কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী নিয়োগ দিতে পারবেন না। শুধু বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাবে। এছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা তোলার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ইউএনও বা জেলা প্রশাসকের সই নেওয়ার বিধান বহাল থাকবে।
এএএইচ/এসএনআর