১১৬ সেরা পড়ুয়াকে পুরস্কার দিলো বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
দেশভিত্তিক উৎকর্ষ কার্যক্রমের আওতায় ঢাকা মহানগরের একাদশ শ্রেণির বইপড়া কর্মসূচিতে বিজয়ী পাঠকদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়েছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ইসফেন্দিয়ার জাহেদ হাসান মিলনায়তনে বিজয়ী পাঠকদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
এই অনুষ্ঠান থেকে ঢাকা মহানগরের সেরা ৩টি কলেজ এবং কেন্দ্রভিত্তিক বইপড়া কর্মসূচি মিলে ৩টি ক্যাটাগরিতে শুভেচ্ছা ৬০ জন, অভিনন্দন ৩১ জন ও সেরা পাঠক ২৫ জন মিলে মোট ১১৬ জন ছাত্রছাত্রীকে তাদের শিক্ষক ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে পুরস্কৃত করা হয়।
এই পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. আব্দুন নূর তুষার এবং বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও গবেষক রাজিব সরকার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যুগ্ম পরিচালক মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ সুমন।
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি আব্দুন নূর তুষার পুরস্কার বিজয়ী ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বই পড়া কর্মসূচির প্রথম ব্যাচের ছাত্র হিসেবে বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করে বলেন, এখানে আসার পর আমি একজন পরিবর্তিত মানুষ হয়েছি। তোমরা যদি বই পড়ার অভ্যাসটা শানিত করতে পারো তোমাদেরও একটা নিজস্ব জগৎ তৈরি হবে। তোমাদের চিন্তা উন্নত হলেই আগামী দিনের বাংলাদেশ সমৃদ্ধ ও উন্নত হবে
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও গবেষক রাজিব সরকার। পুরস্কার বিজয়ী ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সমাজকে উদার, মানবিক ও শ্রেষ্ঠ করে গড়ে তুলতে হলে বই পড়ার বিকল্প নেই। সামাজিক মাধ্যমের অসামাজিকতা থেকে দূরে থাকতে হলে, জীবনকে উপভোগ করতে চাইলে, আনন্দ বিতরণ করতে চাইলে বই পড়ার বিকল্প নেই।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ও অনুষ্ঠানের সভাপতি খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান বক্তব্যের শুরুতেই পুরস্কার বিজয়ী ছাত্রছাত্রী ও উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি পুরস্কার বিজয়ী ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের এই আয়োজন একটা ছোট্ট আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। এই আনুষ্ঠানিক আয়োজন-কিছু ভালো বই পড়ার অভ্যাসের সূচনামাত্র। যাদের বই পড়ার অভ্যাস ছিল না তাদের বই পড়ার অভ্যাস তৈরি হলো, যাদের সামান্য অভ্যাস ছিল তাদের বই পড়ার অভ্যাস গাঢ় হলো।
তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সন্তানকে দেওয়া আপনাদের এই উৎসাহ ও সহায়তায় আগামীর বাংলাদেশ আলোকিত হবে।
একাদশ শ্রেণির বইপড়া কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বাংলা সাহিত্য ও পৃথিবীর কিশোর সাহিত্যের সেরা ১২টি বই পড়ার সুযোগ পায়। একটি ছোট্ট সরস পরীক্ষার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের বইপাঠ মূল্যায়ন করে পঠিত বইয়ের ওপর ভিত্তি করে ৩টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়। মূল্যায়ন পর্বে যারা ৭টি বই পড়েছে বলে প্রতীয়মান হয় তারা পায় শুভেচ্ছা পুরস্কার, যারা ১০টি বই পড়েছে বলে প্রতীয়মান হয় তারা পায় অভিনন্দন পুরস্কার, আর যারা ১২টি বই পড়েছে বলে প্রতীয়মান হয় তারা পায় সেরা পাঠক পুরস্কার।
এমআইএইচএস/
সর্বশেষ - শিক্ষা
- ১ ১১৬ সেরা পড়ুয়াকে পুরস্কার দিলো বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
- ২ নৌবাহিনী কলেজে উৎসবমুখর পরিবেশে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
- ৩ ১৭১৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির তোড়জোড়, নেপথ্যে ‘ঘুসবাণিজ্য’
- ৪ গণিতে স্বপ্ন দেখানো মাহবুবুল আলম শিক্ষায় পাচ্ছেন একুশে পদক
- ৫ বেসরকারি মেডিকেল-ডেন্টাল কলেজে ভর্তি আবেদন শুরু, ফি ৩০০ টাকা