উচ্চশিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণে ‘অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল’
দেশের উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে ‘অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল আইন, ২০১৬’ খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বিষয়টি জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ১১ সদস্যের এই কাউন্সিলের নেতৃত্ব দেবেন সরকার নিযুক্ত একজন চেয়ারম্যান। অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের সনদ ছাড়া কোনো উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উচ্চশিক্ষার সনদ দিতে পারবে না। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভুল তথ্য দিলে বা কোনো তথ্য গোপন করলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে এবং অ্যাক্রেডিটেশন বাতিল হবে।
সচিব বলেন,উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণে এবং বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা দেয়ার লক্ষ্যে এটা যুগান্তকারী আইন। কাউন্সিলের মূল দায়িত্ব হবে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা, শিক্ষাকার্যক্রম যাচাই করে স্বীকৃতি দেয়া। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিটি বিভাগ, কোর্স বা প্রোগ্রামের (ডিসিপ্লিন) জন্য পৃথক কমিটি গঠন করে এ সম্পর্কে যাচাই করবে কাউন্সিল। এরপর ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ‘অ্যাক্রেডিটেশন ও কনফিডেন্স’ সনদ দেয়া হবে। এই সনদের একটি নির্ধারিত মেয়াদ থাকবে। সনদ সবার জন্য উন্মুক্ত রাখতে তা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অনলাইনে দিতে হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, খসড়ায় বলা হয়েছে একটা কাউন্সিল হবে। কাউন্সিলে একজন চেয়ারম্যান, চারজন অধ্যাপক ও খণ্ডকালীন সদস্য থাকবেন ছয়জন। এছাড়া আরও বিভিন্ন সেক্টর থেকে সদস্য আসবেন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশন থেকে একজন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, অ্যাসোসিয়েশন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অথবা তার মনোনীত সদস্য থাকবেন। বিদেশি সদস্য থাকতে পারবেন, তবে তা কাউন্সিল মনোনীত হতে হবে। পেশাজীবী মনোনীত একজন প্রতিনিধি ও এফবিসিসিআইয়ের প্রতিনিধি হিসেবে শিল্প উদ্যোক্তাদের একজন সদস্য থাকবেন। এসব মিলেই গঠিত হবে কাউন্সিল।
সচিব জানান, কাউন্সিলের দায়িত্ব হবে উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা, সার্টিফিকেট দেয়ার শর্তাবলী নির্ধারণ করা এবং প্রয়োজনে অ্যাক্রেডিটেশন সার্টিফিকেট বাতিল করা। তবে কারও সার্টিফিকেট বাতিল হয়ে গেলে তিনি রিভিউয়ের আবেদন করতে পারবেন।
এছাড়াও আজকের বৈঠকে বাংলাদেশ রেলওয়ে কনটেইনার পরিবহন সার্ভিসকে স্বতন্ত্র কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালনার লক্ষ্যে কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
এসআই/এসকেডি/আরআইপি
সর্বশেষ - শিক্ষা
- ১ ফেল করা শিক্ষার্থীরা দুইবারের বেশি সুযোগ পাবে না: শিক্ষামন্ত্রী
- ২ ডিসির সন্তানদের জিলা স্কুলে পড়ানো বাধ্যতামূলক করা উচিত: শিক্ষামন্ত্রী
- ৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস শুরু রোববার, চালু হচ্ছে কোথায়
- ৪ এসএসসি পরীক্ষায় লোডশেডিং রোধে বিশেষ চিঠি দেবেন শিক্ষামন্ত্রী
- ৫ পরীক্ষার হলে ক্যামেরা বন্ধ ছিল বললে বুঝবো ডাল মে কুচ কালা হ্যায়