ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. বিনোদন

পাবনায় সুচিত্রা সেনের বাড়িতে ফিল্ম ইনস্টিটিউট করার দাবি

প্রকাশিত: ১২:০৭ পিএম, ২৪ এপ্রিল ২০১৭

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পাবনায় ‘মহানায়িকা সুচিত্রা সেন চলচ্চিত্র উৎসব স্মরনিক-২০১৬’র মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। আজ সোমবার (২৪ এপ্রিল) সকালে শহরের গোপালপুর হেমসাগর লেনে অবস্থিত সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক বাড়িতে এক অনুষ্ঠানে এ মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন, জেলা প্রশাসক রেখা রানী বালো, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন জাহেদী, পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক শিবজিত নাগ, জেলা সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি আব্দুল মতীন খান, সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ ও পাবনা প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার প্রমুখ।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাকসুদা বেগম সিদ্দিকা, এডিএম সালমা খাতুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. রুহুল আমিন, পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম রবি, সাংবাদিক উৎপল মির্জা, রফিকুল ইসলাম সুইটসহ অন্যরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পাবনাবাসীর প্রাণের দাবি ছিল বাড়িটি উদ্ধারের পর সুচিত্রা সেনের স্মৃতি ধরে রাখতে তার পৈত্রিক বাড়িতে স্মৃতি সংগ্রহশালা ও ফিল্ম ইনস্টিটিউট করার। যে কাজ স্বল্প পরিসরে হলেও জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে বাড়িটিতে সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংগ্রহশালা গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছে। প্রশংসনীয় এই কাজটিতে আরো বেগবান করে দ্রুত সেখানে একটি ফিল্ম ইন্সটিটিউট গড়ে তোলার কাজ শুরু করতে হবে বলেও দাবি করেন তারা।

পাবনার গর্ব সুচিত্রা সেনের বাড়ি শহরের গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর লেনে। ছোট বেলার কৃষ্ণা বা রমা ওরফে সুচিত্রা সেন ১৯৪৭ সালে বিয়ে করে পাবনা থেকে কলকাতায় চলে যান। তখন তিনি পড়তেন পাবনা বালিকা বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণীতে। তার বাবা পাবনা পৌরসভায় সেনেটারী ইন্সপেক্টর পদে চাকরি করতেন।

১৯৫১ সালে তিনি অবসর নিয়ে বাড়িটি পৌরসভার কাছে ভাড়া দিয়ে সপরিবারে ভারতে (কলকাতায়) চলে যান। এরপর ১৯৮৭ সালে বাড়িটি তখনকার প্রশাসনের যোগ সাজশে জামায়াত পরিচালিত একটি একটি স্কুলের কাছে লিজ দেয়া হয়। গত একদশক ধরে এই বাড়িটি উদ্ধার করে সুচিত্রা সেন সংগ্রহ শালা বা ফিল্ম ইনস্টিটিউট করার জন্য সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষ পরিষদসহ পাবনার সর্বস্তরের মানুষ দাবি জানিয়ে আসছিল।

এই ধাবাহিকতায় ২০১৪ সালের ১৬ জুলাই ইচ্চ আদালতের রায়ে বাড়িটি জামায়াতের স্কুলের কাছ থেকে দখলমুক্ত করা হয়। এখন বাড়িটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে কোনো কর্মচারি নিয়োগ না হলেও জেলা প্রশাসন নিজস্ব কর্মচারি নিয়োগ দিয়ে এটি দেখভাল করছে।

এলএ/পিআর

আরও পড়ুন