ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. বিনোদন

রং রসিয়ার নন্দনা

প্রকাশিত: ০৪:১৮ এএম, ২০ নভেম্বর ২০১৪

ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির অভ্যাস। `সন্দেশ`-এ লিখে জীবনের প্রথম পুরস্কার পেয়েছিলেন। লেখা নির্বাচন করেছিলেন সত্যজিৎ রায় স্বয়ং। বড় হয়ে পড়ার জন্য সাহিত্যকেই বেছে নেন নন্দনা।

হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে নিজের বিভাগে ছিলেন সবার সেরা। পেয়েছিলেন প্রচুর পুরস্কার আর বৃত্তিও। মা-বাবার মতো নন্দনাও যে বিখ্যাত হবেন সেটা বোঝা গিয়েছিল তখনই। মা নবনীতা দেবসেনের মতো সাহিত্যিক, নাকি নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ বাবা অমর্ত্য সেনের মতো শিক্ষক- সেটাই ছিল দেখার অপেক্ষা।

তবে ঘটনা ঘটল অন্য রকম, ইউএসসি ফিল্ম স্কুলে ভর্তি হলেন নন্দনা। পড়ার সময়ই তৈরি করলেন বেশ কয়েকটি স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি, যার একটি `অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ` দেখানো হয়েছে কয়েকটি চলচ্চিত্র উৎসবেও। সিনেমা তৈরির ওপর পড়াশোনা করলেও চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক হলো অভিনেত্রী হিসেবে, ১৯৯৭ সালে গৌতম ঘোষের `গুড়িয়া` দিয়ে।

এরপরের ১৫ বছরে হিন্দি, ইংরেজি আর বাংলা মিলিয়ে ২০টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তবে `ব্ল্যাক`-এর সারা আর `অটোগ্রাফ`-এর শ্রীনন্দিতার জন্যই দর্শক তাঁকে বেশি মনে রেখেছে। অভিনয়ের জন্য বরাবরই প্রশংসা পেয়েছেন। তবে সমসাময়িক অন্য অভিনেত্রীদের তুলনায় কেন পর্দায় এত কম উপস্থিতি? `আমি থাকি নিউ ইয়র্কে, স্বামী লন্ডনে। দিল্লিতে আমার একটা সংস্থা আছে। শিশু আর নারীদের নিয়ে কাজ করি। এ ছাড়া অনেকটা সময় কলকাতায় গিয়ে মায়ের সঙ্গেও থাকতে হয়। ফলে সিনেমায় কখনোই পুরো মনোযোগ দিতে পারিনি।` বলেন নন্দনা।

ছয় বছর আটকে থাকার পর এ মাসেই মুক্তি পেয়েছে `রং রসিয়া`, যে ছবির একটি দৃশ্য নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা। নন্দনা বলেন, তিনি নিজে অনেক দিন চিন্তা করে ছবির জন্য প্রয়োজনীয় বলেই ওই দৃশ্যে অভিনয়ে রাজি হয়েছেন। `আমি হ্যাঁ বলার আগে মা আর বাবার সঙ্গে কথা বলেছি। ছবিতে রবি ভার্মা আর সুগন্ধার দৃশ্যটা স্বাভাবিকভাবেই এসেছে। তাঁরা আপত্তি করেননি। বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালে মা-বাবা ছবিটি একাধিকবার দেখেছেন।` বলেন নন্দনা। `রং রসিয়া` মুক্তি পাওয়ায় নতুন অনেক প্রস্তাবই পাচ্ছেন। তবে নন্দনা কাজ করতে চান আরো কিছু বাংলা ছবিতে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প নিয়ে তৈরি হবে এমন একটি ছবিতে অভিনয়ের কথা চলছে। তবে নন্দনা লেখালেখিতেই বেশি মনোযোগ দিতে চান। কয়েক মাস আগেই প্রকাশিত হয়েছে বাচ্চাদের জন্য তাঁর লেখা বই `ক্যাঙ্গারু কিস`।