ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. স্বাস্থ্য

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সতর্কতা ও পরামর্শ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০২:১৩ পিএম, ০৯ জুন ২০২৩

ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থেকে পরিবেশ পরিচ্ছন্নতার ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এডিস মশাবাহিত রোগটির প্রকোপ মোকাবিলায় স্বাস্থ্যের বিভিন্ন বিষয়ের প্রতিও নজর দিতে বলেছে সংস্থাটি।

সম্প্রতি এক তথ্যবিবরণীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শরীরের তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রি হওয়ার পাশাপাশি দুটি লক্ষণ দেখা দিলে ডেঙ্গু সন্দেহে নিকটস্থ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। লক্ষণ দুটি হলো- তীব্র মাথা ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, শরীরের পেশি ও জয়েন্টসমূহে ব্যথা এবং বারবার বমি করার প্রবণতা।

তীব্র ডেঙ্গুর লক্ষণ সম্পর্কে জানিয়ে তথ্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, ডেঙ্গু হওয়ার ৩ থেকে ৭ দিনের তীব্র লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক কমে যাওয়া, তীব্র পেট ব্যথা, ক্রমাগত বমি করা, বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া, ঘন ঘন শ্বাস নেওয়া এবং শরীরে অবসাদ বোধ করা ও অস্থিরতা বোধ করা।

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগ থেকে বাঁচতে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়ে তথ্যবিবরণীতে আরও বলা হয়েছে, ঘর-অফিস বা কর্মস্থলের জানালা সবসময় বন্ধ রাখতে হবে। একই সঙ্গে মশার কামড় থেকে বাঁচতে যতটা সম্ভব শরীর ঢেকে রাখতে পারে- এমন পোশাক পরতে হবে। পরিবার, প্রতিবেশী ও কমিউনিটির মধ্যে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে হবে এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সবাইকে সরাসরি যুক্ত হওয়ার জন্য সচেষ্ট হতে হবে।

তথ্যবিবরণীতে মশার প্রজনন রোধে কয়েকটি কাজ করার পরামর্শও দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এগুলো হলো- ঘর ও আশেপাশে যে কোনো পাত্র বা জায়গায় জমে থাকা পানি তিনদিন পরপর ফেলে দিলে এডিস মশার লার্ভা মরে যাবে, ব্যবহৃত পাত্রের গায়ে লেগে থাকা মশার ডিম অপসারণে পাত্রটি ব্লিচিং পাউডার দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করতে হবে। ফুলের টব, প্লাস্টিকের পাত্র, পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের ড্রাম, মাটির পাত্র, বালতি, টিনের কৌটা, ডাবের খোসা বা নারিকেলের মালা, কন্টেইনার, মটকা, ব্যাটারি সেল ইত্যাদিতে এডিস মশা ডিম পাড়ে বিধায় এগুলো পরিষ্কার রাখতে হবে।

এছাড়াও পানি যেন না জমে সেজন্য অব্যবহৃত পানির পাত্র ধ্বংস করতে হবে অথবা উল্টে রাখতে হবে। দিনে অথবা রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে এবং ডেঙ্গু হলে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দ্রুত যোগাযোগ করতে হবে।

এএএম/এমকেআর