নবীন চিকিৎসকের উদ্যোগে বিশ্ব চিকিৎসক দিবস পালিত
এক ঝাঁক নবীন চিকিৎসকের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বুধবার পালিত হল বিশ্ব চিকিৎসক দিবস-২০১৬। প্রতিটি চিকিসকের কর্মস্থল নিরাপদ হোক এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সরকারি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়ে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতাল, ঢাকা শিশু হাসপাতাল, জাতীয় পঙ্গু হাসপাতাল এবং পুসর্বাসন কেন্দ্র, জাতীয় নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল, জাতীয় চক্ষু ইনন্টিটিউট ও হৃদরোগ প্রতিরোধ কেন্দ্র পরিক্রমণ করে পুনরায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়ার সভাপতিত্বে ও ডা. কামরুল আক্তার সঞ্জু’র পরিচালনায় উক্ত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডা. সুব্রত ঘোষ। বক্তব্য রাখেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. এবিএম মাকসুদুল আনাম, হাসপাতালের অতিরিক্ত পরিচালক ডা. কে এম মামুন মোর্শেদ, হাসপাতালের সার্জারী বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেন, ডা. শাহাদাত হোসেন, ডা. ফারহানা দেওয়ান প্রমুখ।
অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া বলেন, চিকিৎসা সেবা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে ডাক্তার রোগীর সম্পর্ক হচ্ছে অন্যতম প্রধান বিষয়। এই দিবসটি পরিচিতি পায় ৩০ শে মার্চ, ১৯৩৩ সালে। সেই অনুষ্ঠানেই প্রথম দিবসের স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে ডাক্তার রোগীর সম্পর্কের ব্যাপারটি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। ইউডোরা ব্রাউন এ্যালমন্ড ডা. চার্লস ব্রাউন এ্যালমন্ডের স্ত্রী, প্রথম ডাক্তারদের সম্মানে একটা দিবস পালনের ধারণা ব্যক্ত করেন। এই অনুষ্ঠানে অভিবাদন কার্ড বিতরণ এবং মৃত ডাক্তারদের কবরে ফুল দেওয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ডা. সুব্রত ঘোষ বলেন, নবীন চিকিৎসক হিসেবে দেশের চিকিৎসক নেতাদের কাছে বার বার আবেদন করেও “বিশ্ব চিকিৎসক দিবস” পালন করানো যায়নি বলেই আমরা নিজেরাই “বিশ্ব চিকিৎসক দিবস” পালন করা শুরু করেছি।
তিনি বলেন, বছরের প্রতিটি দিনই সুখ আনন্দকে বিসর্জন দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অসহায় অসুস্থ মানুষের পাশে থাকে সব সময়, তার পরও রাষ্ট্র তাদের চিকিৎসক দিবসকে ঘিরে কোন বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে না । বরং একের পর এক কর্তব্যের বোঁঝা চাপিয়ে দিচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জোর দাবি জানান।
এমইউ/এআরএস/পিআর