দশ মাস পর গাজায় পৌঁছালো জ্বালানিবাহী ট্রাক
দশ মাস পর গাজায় পৌঁছালো জ্বালানিবাহী ট্রাক/ ছবি : আনাদোলু এজেন্সি
দীর্ঘ দুই বছর ধরে চলা গণহত্যা বন্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর গ্যাস ও জ্বালানিবাহী ত্রাণের ট্রাক গাজায় প্রবেশ করেছে। টানা দশ মাস অবরোধ থাকার পর সোমবার (১৩ অক্টোবর) প্রথমবারের মতো ত্রাণ নিয়ে সীমিত সংখ্যক ট্রাক গাজায় প্রবেশ করেছে।
তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির তথ্য মতে, গ্যাস ও জ্বালানিতে ভর্তি কয়েকটি ট্রাক ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণাধীন দক্ষিণ গাজার কেরেম শালোম সীমান্তপথ দিয়ে প্রবেশ করেছে। যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে এসব জ্বালানিবাহী ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েলের অনুমতি নিয়ে গত দুই মাসে ধরে প্রতিদিন গড়ে ৬০-৭০টি ত্রাণের ট্রাক গাজায় প্রবেশ করা শুরু হলেও এসব ত্রাণের মধ্যে কোনো জ্বালানি বা গ্যাস অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
গাজার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার থেকে রান্নার গ্যাস বিতরণ শুরু হবে। প্রত্যেক ব্যক্তি ৬০ শেকেল মূল্যে আট কিলোগ্রাম গ্যাসযুক্ত একটি সিলিন্ডার পাবেন।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) হামাস গাজায় আটক থাকা বাকি ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি জিম্মিকেও মুক্তি দিয়েছে। দুই পক্ষের যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে, হামাস ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার পর ইসরায়েলও ১ হাজার ৯০০ জনেরও বেশি বন্দি ও আটক ব্যক্তিকে মুক্ত করেছে।
ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার আহত হয়েছেন বলে তথ্য প্রকাশ করেছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ইউনিসেফের তথ্য মতে, এ যুদ্ধে ২০ হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে ৪২ হাজারের বেশি শিশু; যাদের মধ্যে অন্তত ২১ হাজার শিশু স্থায়ীভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।
কেএম
সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক
- ১ নারী দিবসে ‘টেলিগ্রাম’ অ্যাপের ঝুঁকি নিয়ে সেনাদের পরামর্শ দিলেন পুতিন
- ২ তেহরানে বড় হামলা, ইসরায়েল বললো যুদ্ধ ‘নতুন ধাপে’
- ৩ ‘যুদ্ধ কোনো সমাধান নয়’, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে দূত পাঠাচ্ছে চীন
- ৪ সব হারিয়েছে ইরান, স্থল অভিযান সময়ের অপচয়: ট্রাম্প
- ৫ ইরানে হাজার পাউন্ডের বহু ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা হামলা যুক্তরাষ্ট্রের