এবার তেলবাহী বিদেশি জাহাজ জব্দ করলো ইরান
ইরানের পতাকা। ছবি: এএফপি (ফাইল)
ইরানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী চোরাচালানের জ্বালানি বহনকারী একটি বিদেশি জাহাজ আটক করেছে। অভিযানে জাহাজটি থেকে ৩ লাখ ৬৩ হাজার লিটার চোরাচালানের জ্বালানি জব্দ করা হয়, যা দেশটির সামুদ্রিক চোরাচালানবিরোধী অভিযানের ইতিহাসে অন্যতম বড় সাফল্য বলে দাবি করা হয়েছে।
মেহর নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া বক্তব্যে খুজেস্তান সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোজাত সেফিদপুস্ত জানান, জাতীয় সম্পদ চোরাচালান রোধে পরিচালিত অভিযানের অংশ হিসেবে ইরানের আঞ্চলিক জলসীমায় এই বড় ধরনের অভিযান চালানো হয়।
তিনি বলেন, আবাদানের নৌ টহল ইউনিট নির্ভুল গোয়েন্দা তথ্য ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের ভিত্তিতে অবৈধভাবে ইরানের জলসীমায় প্রবেশ করা একটি বিদেশি জাহাজ শনাক্ত করে জব্দ করে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সেফিদপুস্তের ভাষ্য অনুযায়ী, আটক জাহাজটি একটি সংঘবদ্ধ জ্বালানি চোরাচালান চক্রের মূল কেন্দ্র ছিল। তল্লাশির সময় জাহাজে ৩ লাখ ৬৩ হাজার লিটার চোরাচালানের জ্বালানি পাওয়া যায়।
তিনি আরও বলেন, জব্দ জ্বালানির পরিমাণ ও সংগঠিতভাবে পরিবহনের ধরন বিবেচনায় এই ঘটনাটি সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম বড় জ্বালানি চোরাচালান মামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ ধরনের বড় জব্দ খুবই বিরল।
এই অভিযানে চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িত ১১ জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের বিচারিক কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে ভেনেজুয়েলার তেলের সঙ্গে যুক্ত একটি তেলবাহী জাহাজ আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এটি রাশিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ।
এর আগে ‘মারিনেরা’ নামের ওই জাহাজটির দিকে বেশ কয়েকটি সামরিক বিমান অগ্রসর হতে দেখা যায়। তাছাড়া রুশ গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতেও জাহাজটির কাছাকাছি একটি মার্কিন নৌযান দেখা যায়।
জাহাজটির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ এবং ইরানি তেল পরিবহনের অভিযোগ রয়েছে। যদিও অতীতে এটি ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেল বহন করেছে, তবে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—এই মুহূর্তে জাহাজটি খালি।
সূত্র: মেহের নিউজ
এমএসএম