ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আন্তর্জাতিক

ভারতে ‘অনুমতি ছাড়া’ ফাঁকা বাড়িতে নামাজ পড়ায় আটক ১২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৪:২৬ পিএম, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

ভারতের উত্তর প্রদেশে অনুমতি ছাড়া ফাঁকা বাড়িতে নামাজ আদায়ের অভিযোগে ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, ওই ফাঁকা বাড়ির ভেতরে নামাজ আদায়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি তদন্তের অংশ হিসেবে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

বেরেলির দক্ষিণাঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) অংশিকা ভার্মা জানান, মোহাম্মদগঞ্জ গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দার কাছ থেকে খবর পাওয়ার পর পুলিশ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়। অভিযোগে বলা হয়, একটি ফাঁকা বাড়ি কয়েক সপ্তাহ ধরে অস্থায়ী মাদরাসা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।

আরও পড়ুন>>
ভারতের উত্তর প্রদেশে প্রায় ৩০০ মসজিদ-মাদরাসা গুঁড়িয়ে দিলো প্রশাসন
মুসলিম শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় মেডিকেল কলেজের স্বীকৃতি বাতিল ভারতে!

ভারতে মুসলিমরাই কেন বারবার বুলডোজার নীতির শিকার?

তিনি বলেন, ‘কোনো নতুন ধর্মীয় কার্যক্রম বা সমাবেশ অনুমতি ছাড়া আয়োজন করা আইন লঙ্ঘনের শামিল। এ ধরনের কর্মকাণ্ড ফের ঘটলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ একই সঙ্গে তিনি সবাইকে শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আটক ১২ জনের বিরুদ্ধে শান্তি ভঙ্গসংক্রান্ত ধারায় অভিযোগ আনা হয়। পরে তাদের ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হলে জামিন মঞ্জুর করা হয়। এ ঘটনায় আরও তিনজন পলাতক, তাদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ফাঁকা বাড়িটি হানিফ নামে এক ব্যক্তির মালিকানাধীন। বাড়িটি অস্থায়ীভাবে শুক্রবারের নামাজ আদায়ের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল। কর্তৃপক্ষের কাছে চাওয়া হলেও কোনো লিখিত অনুমতি বা বৈধ নথিপত্র উপস্থাপন করা যায়নি বলে জানিয়েছে তারা।

আরও পড়ুন>>
ভারতে ‘গোরক্ষকদের’ হামলায় নিহত আরও এক মুসলিম যুবক
ভারতে ‘অবৈধ মাদরাসা’ অভিযোগে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মুসলিম যুবকের স্কুল
ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ ব্যানার ঘিরে মুসলিমদের হয়রানির অভিযোগ
ভারতে মুসলিমদের ‘পূর্ণ নিরাপত্তা’ নিশ্চিতের আহ্বান বাংলাদেশের

পুলিশ আরও জানায়, গ্রামবাসীর একাংশ নিয়মিতভাবে ওই বাড়িতে অনুমতি ছাড়া নামাজ আদায়ে আপত্তি জানান এবং বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নামাজ আদায় বন্ধ করে দেয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সূত্র: পিটিআই, এনডিটিভি
কেএএ/