ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আন্তর্জাতিক

বাগযুদ্ধ নয়, গ্রিনল্যান্ডে এবার সামরিক প্লেন পাঠালেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:৪৭ পিএম, ২০ জানুয়ারি ২০২৬

গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ নিয়ে একের পর এক হুমকি ও বিতর্কিত মন্তব্য করে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এবার আর বাগযুদ্ধ নয় বরং ডেনমার্কের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করতে গ্রিনল্যান্ডের ঘাঁটিতে সামরিক প্লেন মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন নর্থ আমেরিকান অ্যারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড (নোরাড)–এর অধীনে থাকা একটি সামরিক উড়োজাহাজ পাঠিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় সব কূটনৈতিক অনুমোদন নেওয়া হয়েছে এবং গ্রিনল্যান্ড সরকারকেও পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। বিষয়টি ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে সমন্বয় করেই করা হচ্ছে।

নোরাড জানিয়েছে, শিগগিরই তাদের একটি সামরিক প্লেন গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে পৌঁছাবে। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, এই সামরিক উড়োজাহাজ মোতায়েন বহু আগে থেকে পরিকল্পিত কার্যক্রমের অংশ এবং বিষয়টি ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে সমন্বয় করেই করা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নোরাড জানায়, ‘নোরাডের বিমান শিগগিরই গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে পৌঁছাবে। যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড ও কানাডার ঘাঁটি থেকে পরিচালিত অন্যান্য বিমানের সঙ্গে তারা দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিত নোরাড কার্যক্রমে অংশ নেবে। এটি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ডেনমার্ক রাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতারই ধারাবাহিকতা।’

তবে যুদ্ধবিশারদদের মতে, ওয়াশিংটন ও কোপেনহেগেনের মধ্যে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কূটনৈতিক টানাপড়েনের প্রেক্ষাপটেই এই সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দেওয়ার পর স্বশাসিত এই ড্যানিশ ভূখণ্ডে আরেক দফায় সেনা মোতায়েন করেছে ডেনমার্ক।

ড্যানিশ গণমাধ্যম ডিআর এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ডেনমার্কের রয়্যাল আর্মির প্রধান পিটার বয়েসেনের নেতৃত্বে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেনা পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডের কানগারলুসুয়াকে অবস্থান নিয়েছে।

উল্লেখ্য, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের অভিযোগ, এ অঞ্চলে রুশ ও চীনা বাহিনীর সামরিক উপস্থিতি বাড়ছে এবং এ দ্বীপ রক্ষা করার সক্ষমতা ডেনমার্কের নেই। এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজন।

সূত্র: এএফপি

কেএম