ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আন্তর্জাতিক

ইরানে বিক্ষোভকারীদের বিচার শুরু, ইন্টারনেট ‘ব্ল্যাকআউট’ বহাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৬:০৩ পিএম, ২০ জানুয়ারি ২০২৬

ইরানে সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভে গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছিলো খামেনি প্রশাসন। ট্রাম্পের হুমকি সত্ত্বেও আটক ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়ার সে সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে ইরান। একই সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের বিচারের কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

বিচারিক কার্যক্রমের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে তেহরান। এ পরিস্থিতিতে ইরানজুড়ে এখনো কার্যত ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট বহাল রয়েছে।

ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেই সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন,‘সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে বিচার বিভাগের মূল কাজ এখনই শুরু হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যার শাস্তি প্রাপ্য তাকে যদি অযৌক্তিকভাবে ছাড় দেওয়া হয়, তবে তা ন্যায়বিচারের পরিপন্থি হবে।’

এদিকে রোববার (১৮ নভেম্বর) অল্প সময়ের জন্য সীমিত আকারে ইন্টারনেট সংযোগ চালু হলেও ইরানের অধিকাংশ নাগরিক এখনও ইন্টারনেট সেবা থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছেন।

একই দিনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান এবং সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেইন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত যৌথ বিবৃতিতে তারা জানিয়েছেন, খুনি ও সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে যারা বিদেশি শক্তির প্ররোচনায় বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন, তারা চাইলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ‘ইসলামি সহানুভূতি’ পেতে পারেন।

উল্লেখ্য, তীব্র মুদ্রাস্ফীতির কারণে বর্তমানে ইরানে যে বিক্ষোভ চলছে তা শুরু হয়েছে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর। সম্প্রতি ইরানের জাতীয় মুদ্রা রিয়ালের রেকর্ড অবমূল্যায়ন ও নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া দেশটির গ্রান্ড বাজার এলাকার ব্যবসায়ীরা প্রথমে বিক্ষোভ শুরু করে, যা পরে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। বর্তমানে ডলার–রিয়াল বিনিময় হার ১ ডলারে ১ লাখ ৪৫ হাজার রিয়ালে পৌঁছেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারবিরোধী বিক্ষোভে হাজারের বেশি মানুষ নিহত হবার খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও ইরানি কর্তৃপক্ষ এখনো নির্দিষ্ট করে কিছু জানায়নি। এরই মধ্যে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, ইরানের অভ্যন্তরে আন্দোলনের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সরাসরি সংযোগ রয়েছে। বিক্ষোভকে উসকে দিতে এসব দেশের গোয়েন্দা সংস্থা হাজারো মানুষকে হত্যা করেছে।

এছাড়া ইরানি কর্তৃপক্ষ বরাবরই দাবি করে আসছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এ বিক্ষোভে অস্ত্র ও অর্থের যোগান দিয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

কে এম