ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আন্তর্জাতিক

খামেনির হুঁশিয়ারি

যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ‌‘আঞ্চলিক যুদ্ধ’ শুরু হতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৩:৪৩ পিএম, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ‘আঞ্চলিক যুদ্ধ’ শুরু হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সাম্প্রতিক সময়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে ওয়াশিংটন। ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতার বেড়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়েছে।

রোববার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সতর্ক করে বলেন, আমেরিকা আক্রমণ করলে ‘আঞ্চলিক যুদ্ধ’ শুরু হতে পারে। আমেরিকানদের জানা উচিত যে তারা যদি যুদ্ধ শুরু করে, তাহলে এবার আঞ্চলিক যুদ্ধ শরু হবে।

এর আগে ইরানের শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তীব্র উত্তেজনার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়ে অগ্রগতি হচ্ছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলী লারিজানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে এই তথ্য জানান।

আলী লারিজানি এক পোস্টে লিখেছেন, গণমাধ্যমের সৃষ্ট ‘মিথ্যা যুদ্ধাবস্থার’ বিপরীতে আলোচনার কাঠামো গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে। তবে তিনি আলোচনার এই সম্ভাব্য ফ্রেমওয়ার্ক নিয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি।

অপরদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান সামরিক পদক্ষেপের মুখে না পড়ে চুক্তি করতে চায় বলেই তিনি বিশ্বাস করেন। ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বলেন, ইরান আমাদের সঙ্গে কথা বলছে, দেখি আমরা কিছু করতে পারি কি না; না পারলে যা হওয়ার হবে। আমাদের বিশাল নৌবহর সেখানে যাচ্ছে। তিনি আরও যোগ করেন, তারা (ইরান) আলোচনায় বসছে।

এদিকে শুক্রবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) হরমুজ প্রণালীতে ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) দুই দিনের নৌমহড়া পরিকল্পনা নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে।

সেন্টকম জানিয়েছে, মার্কিন বাহিনী, আঞ্চলিক অংশীদার বা বাণিজ্যিক জাহাজের কাছাকাছি কোনো অনিরাপদ বা অপেশাদার আচরণ সংঘর্ষ, উত্তেজনা বৃদ্ধি ও অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি বাড়ায়।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি শনিবার পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, ইরানের উপকূলে কার্যরত মার্কিন সামরিক বাহিনী এখন আমাদের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী কীভাবে নিজেদের ভূখণ্ডে মহড়া চালাবে, সেই নির্দেশ দিতে চাইছে।

আরাঘচি আরও লেখেন, যে একই মার্কিন সরকার আইআরজিসিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে, সেই সরকারই আবার সেই ‘সন্ত্রাসী সংগঠনের’ সামরিক মহড়াকে স্বীকৃতি দিয়ে ‘পেশাদারিত্ব’ দাবি করছে!

টিটিএন