ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আন্তর্জাতিক

রুশ প্রযুক্তির ইরানি ইয়াক-১৩০ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত: আইডিএফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৪:৩৭ পিএম, ০৪ মার্চ ২০২৬

ইরানের একটি ইয়াক-১৩০ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বিভাগ (আইডিএফ)। ১৯৮৫ সালের পর এই প্রথম ইসরায়েলি বিমান বাহিনী কোনো শত্রু পক্ষের বিমানকে ধ্বংস করল।

বুধবার (৪ মার্চ) সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ ইসরায়েলের একটি এফ-৩৫ ‘আদির’ যুদ্ধবিমানের হামলায় ইরানি বিমান ভূপাতিত হয়।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, বর্তমানে চলমান অপারেশন রোরিং লায়ন-এর অংশ হিসেবে তারা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে। গত বিকেলেই আইডিএফ ইরানের একাধিক যুদ্ধবিমান উড্ডয়নের আগেই রানওয়েতে ধ্বংস করে দেয়। যার মধ্যে একটি এফ-৪ এবং একটি এফ-৫ বিমান উড্ডয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

দ্য জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদবন মতে, গত ৪০ বছরে আইডিএফ কোনো আকাশযুদ্ধে জড়ায়নি। এর আগে সর্বশেষ ১৯৮৫ সালের ২৪ নভেম্বর লেবাননের আকাশে সিরিয়ার দুটি মিগ-২৩ বিমান ভূপাতিত করেছিল ইসরায়েলি এফ-১৫ ‘বাজ’।

রাশিয়ান প্রযুক্তিতে তৈরি ইয়াক-১৩০ মূলত একটি উন্নত প্রশিক্ষণ বিমান যা রাশিয়ার পঞ্চম প্রজন্মের সু-৫৭ এর মতো আধুনিক বিমানের পাইলটদের প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত হয়। তবে এটি হালকা আক্রমণকারী বিমান হিসেবেও কার্যকর।

ইরানের বিমান বাহিনীতে থাকা পুরোনো এফ-৪ বা ৫ এর তুলনায় ইয়াক-১৩০ অনেক বেশি আধুনিক। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিমানগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে মার্কিন ও ইসরায়েলি ড্রোনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে এবং আকাশসীমায় প্রতিপক্ষের অবাধ বিচরণকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

আইডিএফ একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে যেখানে ইরানের কয়েক ডজন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করার দৃশ্য দেখা গেছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে যে, যুদ্ধের প্রথম দুই দিনের মধ্যেই তারা তেহরানসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকার আকাশসীমায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। এর ফলে তারা এখন দীর্ঘ সময় ধরে টার্গেটের উপরে অবস্থান করে নিখুঁত হামলা বা ‘স্ট্যান্ড-ইন’ আক্রমণ চালাতে সক্ষম।

কেএম