রোহিঙ্গা নিপীড়নে মিয়ানমারকে শাস্তি দিতে চায় মার্কিন সিনেটর
রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা নিপীড়নের জেরে মিয়ানমারকে শাস্তি দিতে চান মার্কিন সিনেটর জন ম্যাককেইন। শান্তিতে নোবেল জয়ী নেত্রী অং সান সু চির দেশের সেনাবাহিনীর সঙ্গে মার্কিন সেনাবাহিনীর সহযোগিতা বৃদ্ধির ব্যাপারে উত্থাপিত বিল বাতিল করা হবে বলেও জানান তিনি।
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তাণ্ডবে রাখাইন রাজ্যের চার লাখ রোহিঙ্গা ঘরবাড়ি হারিয়ে মানবিক বিপর্যয় দেখা দেয়ার কারণে অ্যারিজোনা থেকে নির্বাচিত রিপাবলিকান সিনেটর ম্যাককেইন মঙ্গলবার এ ধরনের ঘোষণা দেন।
২০১৮ সালের জাতীয় প্রতিরক্ষা অনুমোদন আইন বিল পাস করা, না করার দায়িত্বে রয়েছেন আর্মড সার্ভিস কমিটির চেয়ারম্যান ম্যাককেইন। তার অধীনে কমিটির মাধ্যমে মার্কিন প্রতিরক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ব্যয়ের বাজেট নির্ধারণ করা হবে। চলতি সপ্তাহেই সেই বিলের ব্যাপারে সিনেটরদের ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
জন ম্যাককেইন টুইট করে জানান, ‘রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন করায়, মিয়ানমারে সামরিক সহযোগিতা অপসারণের চেষ্টা করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘মানবিক বিপর্যয়ের কারণে সেনা থেকে শুরু করে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর পক্ষে আর সমর্থন করি না এবং সেখানে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে। এনডিডিএ-তে সিনেটরদের বিতর্ক শুরু হলেও বিলটি বাতিল করা হবে।’
গত সপ্তাহে ম্যাককেইন এবং তিনজন ডেমোক্র্যাট সিনেটর রোহিঙ্গা নিধন ঠেকাতে হস্তক্ষেপের জন্য অং সান সু চির প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু সে ব্যাপারেও এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি বলেও মন্তব্য করেন ম্যাককেইন।
গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কিছু তল্লাশি চৌকিতে হামলার অযুুহাতে রোহিঙ্গা নিধন শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধরা। রাখাইনে রোহিঙ্গা পুরুষ, নারী, শিশু নির্বিচারে সবাইকে হত্যা করা হচ্ছে। জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি। জীবন বাঁচাতে গত মঙ্গলবার পর্যন্ত তিন লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।
সূত্র : কোকোনাটস
কেএ/এমএস
আরও পড়ুন
সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক
- ১ এলএনজির প্রথম চালান জাহাজে তুলেছে কাতার, গন্তব্য বাংলাদেশ
- ২ ফিলিস্তিনের উপকার না হলে ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ ছাড়বে ইন্দোনেশিয়া
- ৩ হরমুজ প্রণালি বন্ধ নয়, শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি জাহাজ আটকাবে ইরান
- ৪ ইরান যুদ্ধের আঁচ ভারতের গায়ে, বাড়লো গ্যাসের দাম
- ৫ পাকিস্তানে ‘তেল সংকটের’ আশঙ্কায় পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন