ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আইন-আদালত

সাব-জেলে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তারা

সরকারের কাছে যে আহ্বান জানালেন গুমের শিকার ব্যারিস্টার আরমান

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৬:২৪ পিএম, ২২ অক্টোবর ২০২৫

সেনানিবাসের ভেতরে ঘোষিত সাবজেলে (উপ-কারাগার) জেলকোড পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসরণ হচ্ছে কি-না তা নিশ্চিতে সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন দীর্ঘ বছর গুমের শিকার ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমান। তিনি বলেছেন, ‘সেনানিবাসের ভেতরে যে সাবজেল রয়েছে সেখানে জেল কোড ফলো হচ্ছে কি না, যাদের রাখা হয়েছে তারা কি কোনোভাবে সার্ভিং সেনা সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করছে কি না, এটি নিশ্চিত করা খুবই জরুরি। যদি না হয় আমরা যারা ভুক্তভোগী ও সাক্ষী আছি, আমাদের জীবনের হুমকির আশঙ্কা করছি।’

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে বুধবার (২২ অক্টোবর) এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার আরমান।

ব্যারিস্টার আরমান বলেন, আসামিরা যদি গ্রেফতার অবস্থায় ক্যান্টনমেন্টে (সেনানিবাস) অবস্থান করে কোনোভাবে বিচারকে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেন সেটা খুব আতঙ্কজনক বিষয় হবে। তাই জেল কোড পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসরণ হচ্ছে কিনা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া জনসম্মুখে প্রমাণ করতে হবে যে, এখানে কোনোরকম সম্পৃক্ততা নেই এবং তারা কোনোভাবে ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে অবস্থান করে এই বিচারকে প্রভাবিত করতে পারবেন না।

সেনাবাহিনী প্রসঙ্গে আশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, একজন ভুক্তভোগী হিসেবে আমার আশাবাদ যে, দেশপ্রেমিক সেনা সদস্যদের দিয়ে যেন ভাড়াটে খুনির কাজ যেন আর করা না হয়। জনগণের রক্ষক সেনাবাহিনীকে আর কোনোদিন যেন জনগণের মুখোমুখি করা না হয়। আমাদের সার্বভৌমত্বের রক্ষক সেনাবাহিনী যেন আর কোনোদিন কোনো আধিপত্য শক্তির পুতুল না হয়ে যায়, সেটা এই বিচারের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে বলে আমার বিশ্বাস।

সামরিক কর্মকর্তাদের দেশত্যাগে উচ্চপদস্থ কমিশন গঠনের আহ্বান জানিয়ে আরমান বলেন, যখন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা দেশ ত্যাগ করেছেন, তখন তাদের পাসপোর্ট বাতিল ও ওয়ারেন্ট ছিল। এ অবস্থায় ক্যান্টনমেন্টের ভেতর থেকে কীভাবে তারা দেশত্যাগ করলো; এ ব্যাপারে একটি উচ্চপদস্থ কমিশন গঠন করার আহ্বান জানাচ্ছি। এ ছাড়া যারা ওই সময় কর্মরত ছিলেন তাদের হাতে কি আমাদের সার্বভৌমত্ব নিরাপদে রয়েছে কিনা। তাই একজন ভুক্তভোগী হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি যে, যারা দায়িত্বরত ছিল বা যাদের তত্ত্বাবধানে থাকা অবস্থায় দেশত্যাগ করেছে তাদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত। কেননা যাদের বিচার হচ্ছে এবং যারা দেশত্যাগ করেছে তারা যেন কোনোভাবে এই বিচারকে প্রভাবিত করতে না পারে।

এফএইচ/এমএমকে/এমএস