সিনিয়র অ্যাডভোকেট হলেন শাহদীন-তৈমূর-শিশির-কায়সারসহ ১৯ আইনজীবী
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে ১৯ জন আইনজীবীকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তালিকায় আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক, তৈমূর আলম খন্দকার, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, ব্যারিস্টার রাশনা ইমামের মতো বিশিষ্ট আইনজীবীরা রয়েছেন। একই সঙ্গে ১৫৩ জন আইনজীবীকে আপিল বিভাগে পেশা পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১২ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধান বিচারপতির সভাপতিত্বে এনরোলমেন্ট কমিটির ১১ নভেম্বরের সভায় সদস্যদের স্বতন্ত্র মতামতের ভিত্তিতে ১৯ জন আইনজীবীকে আপিল বিভাগের সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আইনজীবীদের পেশাগত মর্যাদার সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিনিয়র অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্ত হওয়া। এর মধ্যে ৪৯ জনের ক্ষেত্রে সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির সময় স্ট্যান্ডওভার রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, ১৫৩ জন আইনজীবীকে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। যেখানেও ১৫০ জনকে স্ট্যান্ডওভার রাখা হয়েছে।
সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত অন্য ১৪ জন আইনজীবী হলেন: অ্যাডভোকেট আমিনুল হক, আবু রেজা মো. কাইয়ুম খান, মোহাম্মদ হোসেন, মো. রফিকুর ইসলাম, অরিবিন্দ কুমার রায়, শাহীন আহমেদ, মো. সাদউল্লাহ, মো. শাখাওয়াত হোসেন, ব্যারিস্টার এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, রেশাদ ইমাম, ফাতেমা শাহেদ চৌধুরী, এম. সাকিবুজ্জামান, মো. জামিল আক্তার এলাহী ও মো. আব্দুল কাইয়ুম।
আইন পেশায় বিশেষ জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং যোগ্যতার জন্য সুপ্রিম কোর্ট এ সম্মানজনক সিনিয়র অ্যাডভোকেট উপাধি দেয়। এ উপাধিটি সাধারণত একজন আইনজীবীর দীর্ঘ আইনি অভিজ্ঞতা এবং বিশেষ দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়। এটি আইনজীবীদের পেশাগত মর্যাদার সর্বোচ্চ স্তর।
এফএইচ/এমএএইচ/এমএস
সর্বশেষ - আইন-আদালত
- ১ কান্না করে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে থাকি, মনে হলো জীবন্ত কবরে আছি
- ২ সাবেক সেনা কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন ও পরিবারের আয়কর নথি তলবের নির্দেশ
- ৩ গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে রিটের আদেশ মঙ্গলবার
- ৪ রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় দ্রুত বিচার নির্দেশ, বদলি হলো আদালত
- ৫ মানবতাবিরোধী অপরাধ: লক্ষ্মীপুরের আওয়ামী লীগ নেতার জামিন নামঞ্জুর