ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আইন-আদালত

হাসিনার পিয়ন জাহাঙ্গীরের পরিবারের ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, হিসাব অবরুদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৯:৪২ এএম, ২১ জানুয়ারি ২০২৬

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (পিয়ন) জাহাঙ্গীর আলমের মালিকানাধীন একটি ফ্ল্যাট ও একটি জমি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার স্ত্রী কামরুন নাহারের নামে থাকা সাতটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এ আদেশ দেন ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ। বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, জাহাঙ্গীর আলমের নামে নোয়াখালী জেলায় থাকা ৩৫ শতক জমি এবং ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত ১ হাজার ৩৮৫ বর্গফুট আয়তনের একটি ফ্ল্যাট জব্দ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, তার স্ত্রী কামরুন নাহারের নামে থাকা দুটি ব্যাংকের চারটি শাখায় খোলা সাতটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এসব হিসাবে মোট ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমা রয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন
‘পানি জাহাঙ্গীর’ থেকে ৪০০ কোটি টাকার মালিক প্রধানমন্ত্রীর পিয়ন

দুদকের আবেদনে বলা হয়, জাহাঙ্গীর আলম নিজের নামে ১৮ কোটি ২৯ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। পাশাপাশি তিনি ও তার মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে আটটি ব্যাংকের ২৩টি হিসাবে মোট ৬২৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা জমা ও উত্তোলন করেছেন। বর্তমানে এসব অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, তদন্ত চলাকালে এসব সম্পদ অন্যত্র সরিয়ে ফেলা বা মালিকানা পরিবর্তনের আশঙ্কা রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এসব অস্থাবর সম্পদ ক্রোক বা জব্দ করা প্রয়োজন।

কামরুন নাহারের বিষয়ে আবেদনে উল্লেখ করা হয়, তিনি একজন গৃহিণী হওয়া সত্ত্বেও স্বামী জাহাঙ্গীর আলমের সহায়তায় নিজের নামে ৬ কোটি ৮০ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। তিনি সঞ্চয়ী ও ডিপিএস হিসাবের মাধ্যমে ৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা জমা ও উত্তোলন করেছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, কামরুন নাহারের নামে থাকা অস্থাবর সম্পদ ও ব্যাংক হিসাবে জমা অর্থ হস্তান্তর বা মালিকানা পরিবর্তনের ঝুঁকি রয়েছে। তাই সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এসব সম্পদ অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন বলে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়।

এমডিএএ/বিএ