ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আইন-আদালত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার রায় যে কোনো দিন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০১:২৮ পিএম, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ ৩০ আসামির বিরুদ্ধে রায় (সিএভি) যে কোনো দিন ঘোষণা করা হবে মর্মে অপেক্ষমাণ রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

রাষ্ট্র ও আসামি উভয়পক্ষের শুনানি শেষে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামীম। অন্যদিকে বেরোবির তৎকালীন প্রক্টর শরিফুল ইসলামের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আমিনুল গণি টিটো এবং পলাতক আসামিদের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সুজাদ মিয়া।

আদালতে এদিন রাষ্ট্রপক্ষ থেকে যুক্তি উপস্থাপন (আর্গুমেন্ট) করে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাওয়া হয়। অন্যদিকে আসামিদের খালাস চেয়েছেন তাদের আইনজীবীরা।

গত ২০ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ শুনানি শেষ হয়েছে।

এই মামলায় রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামসহ ছয়জন বর্তমানে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে। বাকি ২৪ জন এখনো পলাতক।

মামলার ৩০ জন আসামির মধ্যে বর্তমানে ৬ জন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন- এএসআই আমির হোসেন, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল এবং আনোয়ার পারভেজ। আসামিপক্ষে কোনো সাফাই সাক্ষী নেই।

আদালত সূত্র জানায়, পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা মামলার কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন। এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয় গত বছরের ৬ আগস্ট, সেদিন ট্রাইব্যুনাল ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে। এর আগে ৩০ জুন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় এবং ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশন সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করে।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই দুপুরে আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ। দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দেওয়া সাঈদের সেই ভিডিওটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে গণঅভ্যুত্থানে রূপ দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে।

এফএইচ/এসএনআর/বিএ