১১ আসামির মুক্তিতে আইনগত বাধা নেই
আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও জনপ্রিয় শ্রমিক নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় ১১ আসামিকে খালাস করে দেয়া হাইকোর্টের রায় স্থগিত সংক্রান্ত বিষয়ে ‘নো অর্ডার’ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ফলে ওই ১১ আসামির হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায় বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
রোববার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগে রায় স্থগিত চেয়ে আনা রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের উপর ‘নো অর্ডার’ অর্থাৎ কোনো আদেশ দেননি। এদিকে মামলায় খালাস পাওয়া ওই ১১ আসামির কারামুক্তিতে আইনগতভাবে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
রোববার আসামিপক্ষে আদালতে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মাহবুব উদ্দিন খোকন ও এসএম শাহজাহান। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, খালাস পাওয়া ১১ আসামি এখন কারাগার থেকে বের হতে পারবেন।
আাসমীপক্ষের আইনজীবী এসএম শাহজাহান বলেন, “আদালত স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ায়নি। খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আবেদনে ‘নো অর্ডার’ হয়েছে। ফলে খালাসপ্রাপ্তদের মুক্তিতে বাধা নেই।”
হাইকোর্টে খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন- ফয়সাল, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির, খোকন, আমির হোসেন, জাহাঙ্গীর ওরফে বড় জাহাঙ্গীর, লোকমান হোসেন ওরফে বুলু, দুলাল মিয়া, রাকিব উদ্দিন সরকার ওরফে পাপ্পু, আইয়ুব আলী, জাহাঙ্গীর ও মনির।
এদের মধ্যে নিম্ন আদালতের রায়ে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল। আপিলের রায়ে গত ১৫ জুন তাদের খালাস দেন হাইকোর্ট।
১১ আসামিকে খালাস করে দেয়া হাইকোর্টের রায় ১৪ জুলাই পর্যান্ত স্থগিত করেন চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। সে অনুযায়ী আজ (রোববার) শুনানির জন্য নির্ধারিত দিন ধার্য ছিল।
এর আগে গত ১৫ জুন আওয়ামী লীগ নেতা আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড ও আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট। অপরদিকে ১১ আসামিকে খালাস দেন।
এফএইচ/আরএস/আরআইপি/এমএফ