ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আইন-আদালত

‘দীর্ঘদিন পর ধানের শীষে ভোট দেয়ার সুযোগ পেলো মানুষ’

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৯:২৬ পিএম, ১০ মে ২০১৮

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেছেন, গাজীপুরে বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার ধানের শীষের প্রার্থী। মানুষ দীর্ঘদিন পরে ধানের শীষে ভোট দেয়ার একটা অধিকার পেয়েছে, সুযোগ পেয়েছে। এই সুযোগ থেকে দয়া করে তাদের বঞ্চিত করবেন না। তাই আদালত যে আদেশ দিয়েছেন তাতে আমরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করছি।

বৃহস্পতিবার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে তিনটি আপিলের শুনানি শেষে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে আদেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এর প্রতিক্রিয়াই তিনি এসব কথা বলেন।

জয়নুল আবেদীন জানান, রমজান ও ঈদের কথা চিন্তা করে এবং নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য শুনে বিচার-বিশ্লেষণ করে আগামী ২৮ জুনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে বলেছেন আদালত।

গাজীপুর সিটির মেয়র প্রার্থী হাসান সরকারের এই আইনজীবী বলেন, আদালত উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে ঐক্যবদ্ধতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন- যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এবং এই শিডিউলেই নির্বাচন হওয়া দরকার। সে নির্বাচনের জন্য আমরা একটি সময় নির্ধারণ করার জন্য আদালতকে বলেছিলাম।

প্রথমে আমরা ১৫ মে নির্বাচন চেয়েছিলাম। পরে আবার বলেছি, যেহেতু আপনারা (বিচারপতিগণ) ও নির্বাচন কমিশন বলছে এই তারিখে (১৫ মে) নির্বাচন সম্ভব নয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই আদালত ২৮ জুনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে বলেছেন।

জয়নুল আবেদীন বলেন, এর আগেও মামলাটির ওপর হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ স্থগিত চেয়ে আমরা চেম্বারে (চেম্বার আদালত) শুনানি করেছিলাম। পরে মামলাটি ফুলকোর্টে (আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে) শুনানির জন্য দেয়া হয় এবং আজ সে আপিলের ওপর শুনানি হয়।

তিনি বলেন, আমরা আজ শুনানিতে বলেছি, যিনি এই নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট পিটিশন করেন তিনি ইতোমধ্যে নৌকা মার্কায় নির্বাচন করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি যে ওয়ার্ডগুলোর কথা বলেছেন, সেখানে ইতোমধ্যেই ২০১৩ সালে নির্বাচন হয়েছে। কাজেই এই যে ছয়টি এলাকার কথা বলা হয়েছে সেই ছয়টি এলাকায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন গেজেট নটিফিকেশন হয়েছে। সেই গেজেটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একাধীকবার তিনি মামলা করেছেন। তিনি হাইকোর্টের পৃথক দুটি বেঞ্চে একই বিষয়ে রিট দুটি করেছিলেন। তার পূর্বের রিট দুটির শেষেরটি হাইকোর্টের রুল অনুসারে সবকিছু বর্ণনা করে তৃতীয় আদালতে মামলা করতে পারেন। কিন্তু তারা সেটা সাবপ্রেস (তথ্য গোপন) করেছেন। এই পয়েন্টগুলো আমরা আদালতে বলেছি। আদালতও আমাদের এই পয়েন্টগুলো বিবেচনা করেছেন।

‘আমরা আদালতে আরও বলেছি নির্বাচনের পদ্ধতির নটিফিকেশন হয়ে গেলে নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা যায় না। আমরা সিক্স ডিএলসির কথা বলেছি, ৪৮ডিএলআর’র কথা বলেছি। আদালত আমাদের বক্তব্য শুনেছেন এবং অন্যপক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্যও শুনেছেন।’

তিনি বলেন, আপিল বিভাগের আদেশের পর নির্বাচনের ওপর হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ আর নেই। সেই স্থগিতাদেশ আপিল বিভাগ স্থগিত (বাতিল) করে দিয়েছেন।

এফএইচ/জেডএ/জেআইএম

আরও পড়ুন