ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আইন-আদালত

বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা সম্প্রচারকালে জুয়ার বিজ্ঞাপন বন্ধে রুল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০২:২২ পিএম, ১৮ ডিসেম্বর ২০২২

বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার সময় অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মে জুয়ার বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

টেলিভিশন, বিশেষ করে খেলার চ্যানেল, নিউজ পোর্টাল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ দৃশ্যমান স্ক্রিনে খেলা অথবা খবরের ফাঁকে অবৈধ ডিজিটাল-অনলাইন বাজি বা জুয়ার বিজ্ঞাপন সম্প্রচার, প্রচার বন্ধ-অপসারণ প্রশ্নে রুল জারি করেন আদালত।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বিটিআরসির চেয়াম্যান, রেসপন্স কাউন্সিলরসহ সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদশের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন রিটকারীদের আইনজীবী মো. শেখ কামাল হোসেন মিয়াজি।

এ বিষয়ে দুই আইনজীবীর করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রোববার (১৮ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন মো. শেখ কামাল হোসেন মিয়াজি। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত এ সংক্রান্ত খবর, প্রতিবেদন যুক্ত করে গত ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মিফতাউল আলম ও সুমিত কুমার সরকার এ রিট দায়ের করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে আজ আদালত এ আদেশ দেন।

আইনজীবী কামাল হোসেন মিয়াজী জানান, সংবিধানের ১৮ (২) অনুচ্ছেদ ও ‘দ্য পাবলিক গেমব্লিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭ অনুযায়ী ভাগ্য নির্ভর অথবা টাকার সম্পৃক্ততা আছে, এসব সব বাজিই জুয়া। আর জুয়া বাংলাদেশে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। জুয়া নিয়ে হাইকোর্টের রায় আছে, নিষেধাজ্ঞাও আছে।

‌‘কিন্তু বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল বিশেষ করে খেলার চ্যানেলগুলো সরাসরি খেলার ফাঁকে বিভিন্ন অনলাইন বাজির (বেটিং) বিজ্ঞাপন সম্প্রচার করছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, অনলাইনেও দেদারসে চলছে বাজি অর্থাৎ জুয়া খেলা। আর এতে সম্পৃক্ত হচ্ছে দেশের যুব সমাজ। কিন্তু তদারক ও নিয়ন্ত্রণকারী কোনো কর্তৃপক্ষ এসব বাজি-জুয়া বন্ধে বা অপসারণে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। যে কারণে রিটটি করা হয়েছিল। আদালত প্রাথমিক শুনানির পর রুল জারি করেছেন।’

বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন রিটকারীদের আইনজীবী মো. শেখ কামাল হোসেন মিয়াজি।

এ বিষয়ে এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার (১৮ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন মো. শেখ কামাল হোসেন মিয়াজি। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মিফতাহুল আলম ও সুমিত কুমার সরকার এ রিট দায়ের করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে আজ আদালত এ আদেশ দেন। জনস্বার্থে এ রিট আবেদন করেন তারা।

এফএইচ/এমআইএইচএস/জেআইএম