৪১ সহোদরকে ভর্তিতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চায় ভিকারুননিসা
ফাইল ছবি
প্রথম শ্রেণিতে ৪১ সহোদর ও যমজকে ভর্তির নির্দেশনা দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল করেছেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করা হয়।
সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের চেম্বারজজ আদালতে এ আবেদনের ওপর শুনানির জন্য কার্যতালিকায় রয়েছে।
রিটকারীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জেসমিন সুলতানা জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত ৩১ জানুয়ারি ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শ্রেণিতে ৪১ সহোদর ও যমজকে ভর্তি নেওয়ার নির্দেশনা দেন হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন: ভিকারুননিসায় ৪১ সহোদরকে ভর্তির নির্দেশ হাইকোর্টের
ওই ৪১ শিক্ষার্থীর পক্ষে অভিভাবকের করা রিটের শুনানি নিয়ে ওইদিন হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।
আদালতে ওইদিন রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, ব্যারিস্টার এবিএম আলতাফ হোসেন, অ্যাডভোকেট জেসমিন সুলতানা ও আইনজীবী শফিকুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।
এ বিষয়ে আইনজীবী এবিএম আলতাফ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, বেসরকারি স্কুল, স্কুল অ্যান্ড কলেজ (মাধ্যমিক, নিম্ন মাধ্যমিক ও সংযুক্ত প্রাথমিক স্তর) শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা, ২০২২ অনুসারে কোনো প্রতিষ্ঠানে আবেদনকারী শিক্ষার্থীর সহোদর বা যমজ ভাই/বোন যদি আগে থেকে অধ্যয়নরত থাকে সেসব সহোদর ও যমজকে সংশ্লিষ্ট ভর্তি কমিটির আবেদন যাচাই বাছাই করে ভর্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
আরও পড়ুন: ৪১ সহোদরকে ভর্তিতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চায় ভিকারুননিসা
এ বিধান মতে ৪১ সহোদর ও যমজ প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করেন। কিন্তু গত ১৬ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র দেয়। যেখানে বলা হয়, শুধু ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের জন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি শ্রেণিসহ অন্যান্য শ্রেণিতে মোট আসনের অতিরিক্ত ৫ শতাংশ শিক্ষার্থী সহোদর বা যমজ ভর্তির জন্য আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে ভর্তি করাতে পারবে।
এ বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ রিটটি করা হয়। কারণ, তারা যখন আবেদন করে তখন ৫ শতাংশের বিধান ছিল না। এ কারণে আদালত এই ৪১ জনের ক্ষেত্রে ওই বিধান স্থগিত করে রুল জারি করেছেন। পাশাপাশি তাদের ভর্তি নিতে নির্দেশ দেন।
এফএইচ/এমকেআর/এএসএম