ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আইন-আদালত

চরকেদার খোলায় বালু তোলার স্থগিতাদেশ চেম্বারেও বহাল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৫:৫৩ পিএম, ১৩ মার্চ ২০২৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের বীরগাঁওয়ের পশ্চিম চরকেদার খোলা বালুমহাল থেকে বালু তোলার কার্যক্রম স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগের চেম্বারজজ আদালত। একই সঙ্গে এ আবেদনের বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ২৭ মার্চ আপিল বিভাগের নিয়মিত ও পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে দিন ধার্য করেছেন আদালত। বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে বালু উত্তোলনকারী ইজাদার মৌসুমী এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মোশারফ হোসেন ওরফে মিন্টুর দায়ের করা আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে সোমবার (১৩ মার্চ) আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের চেম্বারজজ আদালত এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ আপিল আবেদনকারীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক। আর রিটকারীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের বীরগাঁওয়ের পশ্চিম চরকেদার খোলা বালুমহাল থেকে বালু তোলার কার্যক্রম স্থগিত করে আদেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলন করা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবেশ সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি), পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডিসিসহ সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন>> ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চরকেদার খোলায় বালু তোলা স্থগিতের নির্দেশ (https://www.jagonews24.com/law-courts/news/836729)

এছাড়া এ বিষয়ে পশ্চিম চরকেদার খোলা বালুমহালের ইজারা বাতিল, বালুমহাল বিলুপ্তকরণ, বালুমহাল সংলগ্ন এলাকার নদীভাঙন রোধ ও বসতভিটা সংরক্ষণে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া চিঠি নিষ্পত্তি করার জন্যও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিষয়টি ওইদিন জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওইদিন হাইকোর্টের বিচারপতি মাহমুদুল হক ও বিচারপতি মাহমুদ হাসান তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. লিটন।

এর আগে রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ওই এলাকার গোলাম কিবরিয়া নামের এক ব্যক্তি এ নিয়ে রিট করেন। ওই রিটের শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

২০২২ সালের ৪ ডিসেম্বর এ বিষয়ে একটি দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ইজারার নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে মেঘনা নদীতে ফ্রি স্টাইলে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন। প্রতিদিন প্রায় ২০টি ড্রেজার দিয়ে নদীর চর ঘেঁষে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

এমনকী সুযোগ বুঝে ড্রেজার লাগিয়ে মেঘনা চরের ফসলি জমি পর্যন্ত কেটে ফেলা হচ্ছে। এতে চরে ব্যাপক ভাঙনের সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি তীরবর্তী চরলালপুর গ্রাম হুমকির মুখে পড়েছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করছেন বলেও প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এফএইচ/এমএএইচ/এমএস