সাংবাদিক নৃপেন বিশ্বাসের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী
সোমবার বিশিষ্ট সাংবাদিক ও নাট্যকার নৃপেন বিশ্বাসের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে ঢাকা এবং তার গ্রামের বাড়ি ঘাটাইল ভুয়াপুর, গোপালপুর ও ঘাটাইল প্রেসক্লাব এবং ঢাকায় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
নৃপেন বিশ্বাস ১৯৭৮ সালে টাঙ্গাইল থেকে প্রকাশিত পাক্ষিক ‘ঝংকার’ পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতা পেশায় আত্মপ্রকাশ করেন। একই সময় ‘দৈনিক বাংলার বাণী’র ঘাটাইল প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঘাটাইলের ‘গৌর মুকুল একাডেমী’ নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানে সহকারী প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৮৬ সালে ঢাকায় চলে আসেন এবং ‘তারকালোক’ ও ‘কিশোর তারকালোক’ পত্রিকায় সাংবাদিকতা শুরু করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি ‘দৈনিক আজকের কাগজ’ পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরপর পাক্ষিক ‘তারকা বিচিত্রা’য় নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৯৮ সালে নৃপেন বিশ্বাস বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি সৃজনশীল সাহিত্য চর্চায় তার ছিল সমান পারদর্শিতা। তার প্রকাশিত উপন্যাসগুলোর মধ্যে ‘কিশোরী কিংবা যুবতী’, ‘হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যকুল’, ‘পুরনো সেই দিনের কথা’, ‘ভুল মানুষের ভালবাসা’ অন্যতম। ‘দৈনিক আজকের কাগজ’ পত্রিকায় কর্মকালীন সময়ে সৃষ্টিশীলতার দায়বদ্ধতায় ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ামুখী হন।
নাটক, ম্যাগাজিন, প্রামাণ্য অনুষ্ঠান সর্বক্ষেত্রেই তিনি সাফল্য লাভ করেন। বিটিভি, এটিএন বাংলা, এনটিভি ও চ্যানেল আই-এ প্রচারিত হয়েছে তার একাধিক অনুষ্ঠান। এরমধ্যে মধ্যে এটিএন বাংলায় প্রচারিত ‘সুতরাং’ ও ‘ময়ুরী চতুরঙ্গ’ ছিল অত্যন্ত জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান। কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বহুবার পুরস্কৃত হয়েছেন।
মরণঘাতি লিভার সিরোসিস-এ দীর্ঘদিন রোগভোগের পর ২০০৩ সালের ৭ ডিসেম্বর ঢাকার একটি হাসপাতালে নৃপেন বিশ্বাস মৃত্যুবরণ করেন।
এসএইচএস/আরআইপি
সর্বশেষ - গণমাধ্যম
- ১ তরুণদের মধ্যে মূল্যবোধ গড়তে সব প্রচারমাধ্যম কাজে লাগাতে চায় সরকার
- ২ বাতিল প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা যাবে
- ৩ ডিআরইউ ডিবেটিং ক্লাবের আত্মপ্রকাশ, আহ্বায়ক জসিম ও সদস্যসচিব আরিফ
- ৪ সাংবাদিক সালিম সামাদ আর নেই
- ৫ প্রেস ক্লাবে ইফতার: ব্যস্ততার ফাঁক গলে এক অনানুষ্ঠানিক পুনর্মিলন