ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

হাদি হত্যা

ফয়সাল করিমের ভিডিও বার্তা নিয়ে যা বলছে ডিবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৬:৩০ পিএম, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামি এবং গুলিবর্ষণকারী হিসেবে চিহ্নিত ফয়সাল করিমের ভিডিও বার্তা পর্যালোচনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

ফয়সাল যে তিনটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন, সেগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করা হয়নি—এটি নিশ্চিত হয়েছে ডিবি।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম।

আসামি ফয়সাল করিম সম্প্রতি একাধিক ভিডিও বার্তায় দাবি করেন, তিনি বিদেশে আছেন এবং ওসমান হাদি হত্যা মামলায় তাকে ও তার পরিবারকে ফাঁসানো হচ্ছে।

শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ফয়সালের ভিডিও বার্তা পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং প্রাথমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। ফয়সাল তিনটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন, সেগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করা হয়নি, এটি মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

‘ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন এখনো আসেনি। তবে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে ভিডিও বার্তাগুলো আসল। ফয়সাল দুবাইতে থাকার যে দাবি করছেন, সেই অবস্থান সঠিক নয়। তদন্তের তথ্যপ্রমাণ অনুযায়ী, ফয়সাল ভারতে অবস্থান করছেন।’

আরও পড়ুন
রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় খুন হন হাদি, জড়িত ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাপ্পি

তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা ওয়ার্ড কমিশনার তাইজুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে বাপ্পী। এই নির্দেশের কারণ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, শরিফ ওসমান হাদি একটি নতুন ধরনের রাজনীতি শুরু করছিলেন এবং তার বক্তৃতার মাধ্যমে সরকার, আওয়ামী লীগ বা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে সমালোচনামূলক বক্তব্য দিচ্ছিলেন। আওয়ামী লীগের এই কাউন্সিলর এই সমালোচনার কারণেই ফয়সালকে হত্যা করতে বলেন।

এ হত্যা মামলার তদন্তকালে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের ব্যালিস্টিক পরীক্ষার প্রতিবেদন পজিটিভ এসেছে বলেও জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম।

ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম ও তার সহযোগীকে ভারতে পালিয়ে যেতে সহায়তা করার অভিযোগে মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করেছিল বলে যে বক্তব্য ডিএমপি এর আগে দিয়েছিল, তা সত্য বলেও জানান ডিবির এ কর্মকর্তা।

শরিফ ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তিনি বেশ কিছু দিন ধরে গণসংযোগও করছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের কিছু পর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তাকে মাথায় গুলি করার পর আঁততায়ীরা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে ১৮ ডিসেম্বর মারা যান তিনি।

টিটি/এমকেআর/এমএস