ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

জানুয়ারির মধ্যে নবম পে-স্কেল গেজেট না হলে সর্বাত্মক কর্মবিরতি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৯:৫৬ পিএম, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬

আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন সরকারি কর্মচারীরা। অন্যথায় সর্বাত্মক কর্মবিরতির মতো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতীকী অনশন কর্মসূচিতে এ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

বাংলা একাডেমি, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি কর্মচারী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনশনে উপস্থিত ছিলেন। তাদের অভিযোগ, এখন পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দল পে-স্কেলের বিষয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি। এজন্য বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করে যেতে হবে।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের মুখপাত্র আব্দুল মালেক বলেন, ‘গত ১০ বছরে দুটি পে-স্কেল আমাদের প্রাপ্য ছিল। কিন্তু আমরা কিছুই পাইনি। উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে কষ্টে জীবনযাপন করছি। এমন অবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকারকেই পে-স্কেল দিয়ে যেতে হবে। তা জানুয়ারি মাসের মধ্যেই করতে হবে। দাবি আদায় না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। তখন এর দায় কাউকে দেওয়া যাবে না।’

দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘দীর্ঘ সাত বছর ধরে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে নবম পে-স্কেলের বিষয়ে কথা বলছি। আমরা আশা করেছিলাম দ্রুত এর গেজেট প্রকাশ করা হবে। কিন্তু সরকার গেজেট প্রকাশ এবং এ নিয়ে আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ক্ষুধার জ্বালা কোনো আইন মানে না। কর্মচারীরা ধৈর্যহীন হয়ে পড়লে কোনো আইন দিয়ে তাদের বেঁধে রাখা যাবে না।’

প্রতীকী অনশন কর্মসূচিতে জানানো হয়, কিছু বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে হবে। যার মধ্যে রয়েছে- ১:৪-এর ভিত্তিতে ১২টি গ্রেডে সর্বনিম্ন বেতন-স্কেল ৩৫ হাজার ও সর্বোচ্চ এক লাখ ৪০ হাজার টাকা করা। ২০১৫ সালের পে-স্কেলের গেজেটে হরণকৃত তিনটি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহালসহ বেতন জ্যেষ্ঠতা পুনর্বহাল। ব্লক পোস্টে কর্মরত কর্মচারীসহ সব পদে কর্মরতদের পদোন্নতি বা পাঁচ বছর পরপর উচ্চতর গ্রেড দেওয়া। সেই সঙ্গে টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের টেকনিক্যাল পদের মর্যাদা দেওয়া।

এসএম/একিউএফ