৭ কলেজ শিক্ষার্থী
সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ বানিয়ে আন্দোলনের ঘোষণা
সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ বানিয়ে আন্দোলনের ঘোষণা/ফাইল ছবি
প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ দাবিতে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন ও গণজমায়েতের ঘোষণা দিয়েছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর আন্দোলনের প্রতিনিধি মো. নাঈম হাওলাদারের পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বার্তায় বলা হয়, সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রণীত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫’ এর খসড়া ২০২৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়।
‘খসড়াটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই সেটি নিয়ে বিভিন্ন পক্ষে বিপক্ষে নানা তর্ক-বিতর্ক সৃষ্টি হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সকল স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কনসালটেশন সভার আয়োজন করে। সূত্রে জানতে পেরেছি, সকল স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে প্রাপ্ত পরামর্শের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় খসড়া হালনাগাদ করেছেন।’
২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবন অভিমুখে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেন, সেই সভায় ডিসেম্বরের মধ্যে আনুষঙ্গিক সব কার্যক্রম শেষ করে, জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে অধ্যাদেশ জারি করার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে সেই কাঙ্ক্ষিত অধ্যাদেশ এখনো জারি হয়নি। এমতাবস্থায়, রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির, এক দফা দাবিতে আগামী সোমবার অর্থাৎ ১৯ জানুয়ারি বেলা ১১টায় রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে বিশাল গণজমায়েতের আয়োজন করা হবে, পাশাপাশি অধ্যাদেশ মঞ্চ স্থাপন করা হবে।
বার্তায় আরও বলা হয়, অধ্যাদেশ মঞ্চ থেকেই আন্দোলনের পরবর্তী গতিপথ ঘোষণা করা হবে। গত ১৪ জানুয়ারি ও ১৫ জানুয়ারি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করা হয়েছিল।
অতএব সাত কলেজের (প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি) সকল শিক্ষার্থীদের কর্মসূচির বিষয়ে অবগত করা হলো, পাশাপাশি কর্মসূচি সফল করার অভিপ্রায়ে, সবাইকে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালানোর অনুরোধ ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হলো।
বার্তায় বলা হয়, কর্মসূচির কারণে সাময়িক জনদুর্ভোগের জন্য রাজধানীবাসীর কাছে আমরা দুঃখপ্রকাশ করছি, পাশাপাশি তাদের কাছে আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী, শিক্ষার্থীদের অভিভাবকহীন শিক্ষাজীবন ও মানহীন শিক্ষার গ্লানি থেকে মুক্তির জন্য যে আন্দোলন চলছে সেটি পূরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যেতে বাধ্য।
এনএস/এমআরএম/জেআইএম