ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

নির্বাচনি প্রচারণায় ক্যারাভ্যান ব্যবহারের অনুমতি দিলো ইসি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৪:০৪ পিএম, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আরও উৎসবমুখর করতে ক্যারাভ্যান বা ভ্রাম্যমাণ বাহনে প্রচারণার অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে এ ধরনের প্রচারণায় যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা যাবে না। পাশাপাশি কোনোভাবেই জনদুর্ভোগ বা জনশৃঙ্খলার ব্যাঘাত ঘটানো যাবে না বলে কড়া নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন।

এ বিষয়ে ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামের সই করা চিঠিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, নির্বাচনি আচরণবিধি বাস্তবায়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ইসির জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়, নির্বাচনি প্রচারণাকে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় করার লক্ষ্যে যানবাহনের চারপাশে ডিজিটাল প্রযুক্তি কিংবা সাধারণ পচনশীল সামগ্রী ব্যবহার করে ক্যারাভ্যান পরিচালনা করা যাবে। তবে এসব কার্যক্রম অবশ্যই নির্বাচন আচরণবিধির আলোকে পরিচালিত হতে হবে এবং কোনোভাবেই জনস্বার্থ বা আইনশৃঙ্খলার পরিপন্থি হওয়া যাবে না।

এছাড়া নির্বাচন ও গণভোটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইসি। এখন থেকে ফেসবুক, ইউটিউব বা অন্য যে কোনো মাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে হলে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট বা পেজের তথ্য আগেভাগেই রিটার্নিং অফিসারকে জানাতে হবে। পাশাপাশি এ খাতে ব্যয়ের হিসাব ইসিতে দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।  

আরও পড়ুন
বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা, দুই সরকারি কর্মকর্তাকে শোকজ 
ভোটারদের আস্থা বাড়াতে কেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত থাকবেন সেনাসদস্যরা 

ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অপপ্রচার রোধ এবং নির্বাচনি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি এরই মধ্যে সব রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

ইসির জারি করা চিঠিতে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর ১৬ নম্বর বিধি অনুযায়ী কোনো প্রার্থী, নির্বাচনি এজেন্ট বা তাদের পক্ষে অন্য কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালাতে পারবেন। তবে প্রচারণা শুরুর আগেই সংশ্লিষ্ট মাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডিসহ সব শনাক্তকরণ তথ্য রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে।

এছাড়া বিধিমালার ২২ নম্বর বিধির (২) উপবিধি অনুযায়ী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন প্রদান, পোস্ট বুস্টিং বা স্পন্সরশিপের পেছনে যে অর্থ ব্যয় হবে, তা প্রার্থীর সামগ্রিক নির্বাচনি ব্যয়ের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এই ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব নির্বাচন কমিশনে দাখিল করাও বাধ্যতামূলক।

এ বিষয়ে নিজ নিজ এলাকার প্রার্থীরা কোন কোন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছেন, সে সম্পর্কিত সঠিক তথ্য সংগ্রহ করে দ্রুত ইসি সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখায় পাঠাতে রিটার্নিং অফিসারদের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এসএম/কেএসআর