স্থাপত্যে একুশে পদক পাচ্ছেন মেরিনা তাবাশ্যুম
স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুম/ছবি: সংগৃহীত
দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক পাচ্ছেন স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুম। স্থাপত্যে অনন্য অবদানের জন্য ২০২৬ সালের পদক তালিকায় তার নাম ঘোষণা করেছে সরকার।
এ বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রের নয় ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
জাতীয় জাদুঘর পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মেরিনা গত বছর দ্বিতীয়বারের মতো আগা খান অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার জেতেন। নদীভাঙনে বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য উদ্ভাবিত জলবায়ু-সহনশীল, সাশ্রয়ী ও সহজে স্থানান্তরযোগ্য ঘর ‘খুদি বাড়ি’র জন্য তাকে এ পদক দেওয়া হয়। এর আগে রাজধানীর বায়তুর রউফ মসজিদের নকশা করে ২০১৬ সালে তিনি প্রথম এ পুরস্কার পান। সুলতানি আমলের স্থাপত্যের আদলে নির্মিত মসজিদটি দক্ষিণখান থানার ফায়েদাবাদে অবস্থিত।
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা জাদুঘর ও স্বাধীনতা কমপ্লেক্সের কাজে যুক্ত ছিলেন মেরিনা।
তিনি ২০২৪ সালে টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় জায়গা করে নেন। তার সম্পর্কে ম্যাগাজিনে লেখা হয়, তিনি স্থাপত্যচর্চায় এমন একটি রীতি তৈরি করেছেন, যেখানে স্থানীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের পাশাপাশি আমাদের এই পৃথিবী যে বিপদের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তা অগ্রাধিকার পেয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট সমস্যার বাস্তব সমাধানের উপায় নিয়ে কাজ করে মেরিনা ২০২০ সালে ব্রিটিশ ম্যাগাজিন প্রসপেক্টের বিশ্বসেরা ৫০ চিন্তাবিদের তালিকার শীর্ষ ১০-এ স্থান করে নেন। সেখানে তার অবস্থান ছিল তৃতীয়। পরের বছর তিনি জিতে নেন যুক্তরাজ্যের মর্যাদাপূর্ণ সন পদক। লন্ডনের স্যার জন সন জাদুঘর কর্তৃপক্ষ প্রতিবছর এ পুরস্কারে ভূষিত করে একজন স্থপতিকে তার কাজের মূল্যায়ন ও স্বীকৃতিস্বরূপ।
একিউএফ/