ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

যমুনার সামনে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান, পিছু হটলেন সরকারি কর্মচারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৪:০৫ পিএম, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

জাতিসংঘের অধীনে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত ও হত্যার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা সংলগ্ন ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে অবস্থান নিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।

একই দিনে জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদনের আলোকে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের এক দফা দাবিতে যমুনার সামনে অবস্থান নিতে যায় সরকারি কর্মচারীদের একটি আন্দোলনকারী দল। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে তারা পিছু হটলেও হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে অবস্থান নিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা আড়াইটার দিকে সরকারি কর্মচারীরা ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে শহীদ মিনারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।

এর আগে, এদিন সকালে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের এক দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করে সরকারি কর্মচারিরা। পরে তারা মিছিল নিয়ে যমুনা অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন। যমুনা অভিমুখে যাওয়ার সময় শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রথমে আন্দোলনকারীদের ব্যারিকেড দিয়ে বাঁধা দেয় পুলিশ। পরে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে যেতে থাকেন আন্দোলনকারীরা।

jagonews24.comপ্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা সংলগ্ন ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক অবস্থান/ছবি: সংগৃহীত

এ সময় আন্দোলনকারীদের ওপর জলকামান নিক্ষেপ করা হলেও তারা মিছিল নিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের দিকে যান। সেখানেও পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে যান এবং যমুনার সামনে গিয়ে সড়কে অবস্থান নেন। পরে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে বেলা পৌনে ১২টার দিকে পুলিশ তাদের ওপর জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। পাশাপাশি লাঠিচার্জও করা হয়।

একপর্যায়ে পুলিশের লাঠিচার্জ, জলকামান ও টিয়ার গ্যাসে যমুনার সামনে থেকে আন্দোলনকারীদেরএকটি দল সরে গিয়ে ইন্টারকন্টিনেন্টালের মোড়ে এবং আরেকটি দল কাকরাইল মোড়ে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যান।

এ ছাড়াও গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে কয়েক দফা আলটিমেটাম দিয়ে জাতিসংঘের অধীনে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তের দাবিতে যমুনার প্রবেশমুখে অবস্থান নেয় ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনকারীরা। পরে শুক্রবার বেলা ৩টার সময় এই প্রতিবেদন লেখার সময়ও আন্দোলনকারীদের আন্দোলন চলমান রাখতে দেখা গেছে।

কেআর/এমএমকে